Posts

POLAND WORK PERMIT VISA – Hot Offer !!!  100% Success পোল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ২০১৮

, , , , , ,

POLAND WORK PERMIT VISA – Hot Offer !!!

পোল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ২০১৮ – 100% Success*

🚥 #পোল্যান্ড #ওয়ার্ক_পারমিট_ভিসা ✈

🎯 ভিসা গ্যারান্টি: 100% সফল! 🚩

💲 নো ভিসা – নো ফিস 💲

(ভিসা না হলে আমরা কোন ফিস নেই না)

#যোগ্যতা_যা_যা_প্রয়োজন

☑ কমপক্ষে এস,এস,সি পাশ

☑ বয়স ২২-৪৫ বছর

☑ পাসপোর্ট-এর মেয়াদ ১.৫/২ বছর থাকতে হবে

☑ ভিসা প্রাপ্তির পরে, পোল্যান্ড-এ গিয়ে শুরুতে নির্ধারিত কোম্পানি-তে কমপক্ষে ৬ মাস অবশ্যই কাজ করতে হবে। ৬ মাস পরে আপনি কাজ/কোম্পানি পরিবর্তন করতে পারবেন অথবা অন্য যেকোন সেঞ্জেনভুক্ত দেশে ভ্রমন/সেটেল হতে পারবেন।

সময়

🔔 ০৩-৩.৫ মাস (সময়কাল- সাধারণত যা কোম্পানির ওয়ার্ক পারমিট ও পোল্যান্ড দূতাবাস-এর অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রাপ্তির উপর নির্ভর করে কম/বেশি হতে পারে)

কাজের_ধরন

🔖 সাধারণ কর্মী

🔖 সেলাই অপারেটর

🔖 নির্মাণ

🔖 হোটেল বয়

🔖 অন্যান্য

JOB OVERVIEW

Gender: Male / Female

No of workers: 5-30

Duration: 1 year

Here are general terms and conditions for these job opportunities:

 

Term and Conditions: 

  1. Contract Period: 1-year + renewable
  2. Working hours and day: 8 Hrs per day and 6 days a week.
  3. Employment Visa: Provided at the cost of the company.
  4. Food: Provided by the employees/self (may differ from company to company).
  5. Accommodation: Provided by the company/self (may differ from company to company).
  6. Over Time: As per Poland and Schengen the labor law.
  7. Uniform: Provided by the company.
  8. Medical/Insurance: Provided by the company.
  9. If any other benefits: In the accordance with the labor laws of Poland.
  10. Service Charge: Not Provided by the company.
  11. The return ticket will be provided by the company after finishing contract period.

বেতন

💵 ৬০,০০০-৭০,০০০ টাকা (৩,০০০-৩,৫০০ PLN) – বেসিক ৮ ঘণ্টা; ওভারটাইম আলোচনা সাপেক্ষে

পেমেন্ট

💲 সর্বমোট 10 লক্ষ টাকা

* অন্তর্ভুক্ত আছে = ওয়ার্ক পারমিট, ভিসা, সার্ভিস চার্জ, ইনসিওরেন্স, এম্বাসি ফি

* অন্তর্ভুক্ত নয় = পোল্যান্ড-এর এয়ার টিকেট; ইন্ডিয়া ভ্রমণকালে এয়ার/বাস/ট্রেন টিকেট; হোটেল ও খাওয়ার বিল এবং সম্পৃক্ত খরচাদি; ট্রেনিং ফিস

টাকা_প্রদানের_ধাপ

💲 ০১ লক্ষ টাকা (গ্যারান্টি বাবদ অগ্রিম বাবদ পাসপোর্ট জমা দেয়ার সময়ে আমাদের অফিসে লিখিত চুক্তির মাধ্যমে জমা দিতে হবে। ভিসা না হলে ১০০% অর্থ ফেরত যোগ্য)

💲 ০৯ লক্ষ টাকা ( যা আবেদনকারী পোল্যান্ড,দিল্লী এম্বাসি হতে ভিসা প্রাপ্তির পরে অবশ্যই আমাদেরকে ০৩ ঘন্টার মধ্যে  বাংলাদেশ/দিল্লী-তে নগদে পরিশোধ করতে হবে)

*** বিশেষভাবে_লক্ষ্যণীয় **

নিয়ম অনুযায়ী পোল্যান্ড,দিল্লী এম্বাসিতে আবেদনকারী “ডি” ভিসার জন্য নিজে ভিসার আবেদনপত্র জমা দেয়া বাধ্যতামূলক, তাই আবেদনকারীকে দিল্লী এম্বাসিতে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে, ভিসার আবেদনপত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এম্বাসিতে জমা করবে। অতঃপর আবেদনকারী নিজে ৩-১৪ দিন পরে ভিসাসহ পাসপোর্ট এম্বাসি হতে ডেলিভারি নিবে। ডেলিভারির ক্ষেত্রে আবেদনকারী নিজে অথবা তার মনোনীত বেক্তি “ভিসা এপ্লিকেশন টোকেন”-টি এম্বাসিতে জমা দিয়ে ভিসাসহ পাসপোর্ট এম্বাসি হতে ডেলিভারি নিতে পারবে।

 

*** #পোল্যান্ড_ওয়ার্ক_ভিসার_সুবিধা?

।। স্বাধীনভাবে ইউরোপ/সেঞ্জেন-এর ২৮টি দেশে অন্য কোন ভিসা ছাড়া ভ্রমন করতে থাকুন, বছরের যে কোন সময়ে, যে কোন দিন

।। নিশ্চিত কর্মসংস্থান ও নিশ্চিতভাবে নিয়মিত বেতন পাওয়ার গ্যারান্টি

।। পোল্যান্ড-এ রয়েছে প্রচুর কর্মীর প্রয়োজনীয়তা, তাই সরকারি উদ্যোগে ঝামেলামুক্ত ও সহজে ভিসা রিনিউ করুন।

।। পোল্যান্ড-এর অর্থনীতিতে জীবন নির্বাহের খরচ অন্য সকল দেশের তুলনায় আশ্চর্য রকমভাবে কম। এত কম খরচে ইউরোপীয় জীবনের মান!!! যা আসলে বিশ্বাস করার মত নয়।

।। ধাপে ধাপে পরিবারসহ স্থায়ীভাবে পোল্যান্ড-এ বসবাস করতে এবং অন্যান্য জাতীয় সুযোগ-সুবিধা পেতে পোল্যান্ড এর মত আর কেউ নেই। সময় ২-৩ বছর। তাই তো বলি, এ এক সুবর্ণ সুযোগ… আজই আবেদন করুন!

আবেদন_শুরু_করতে_হলে

(১) অরিজিনাল পাসপোর্ট

(২) ছবি

(৩) অরিজিনাল এস,এস,সি (সার্টিফিকেট+মার্কশিট)

(৪) অগ্রিম টাকা

(৫) ব্যাংক গ্যারান্টি চেক সহ

আবেদনকারী নিজে এবং তার অভিভাবক তথা পেমেন্ট গ্যারান্টি প্রদানকারী(পরিচয়পত্রসহ) আমাদের অফিস-এ উল্লেখিত ডকুমেন্টস জমা দিন।

যোগাযোগ

বিস্তারিত জানতে আপনি এবং আপনার অভিভাবক অফিস-এ আসুন। ফোন-এ বিস্তারিত ইনফর্মেশন দেয়া হয় না।

> কল করুন

📞 01712-779277

📞 01972-779277

📞 01622-775577

> ইমেইল করুন

📞 imcbd666@gmail.com

শুভেচ্ছান্তে,

Chishty

🌍 আরও তথ্য : www.flyyeer.com

 

VISA GUARANTEED

See Our Recent Poland Work Permit Visa Success –
https://www.facebook.com/media/set/?set=a.2032358027040073.1073741830.1883911735218037&type=1&l=ccd0076d84

See our Facebook Page Post :

https://www.facebook.com/notes/flyyeercom/-পোল্যান্ড-ওয়ার্ক-পারমিট-ভিসা-poland-work-permit-visa-/1667535656603211/

#Poland_Visa #Poland_Work_Permit_Visa #Poland_Job

#Poland_Student_Visa #Dhaka #Schengen_Visa #Bangladesh #Embassy_Contact #Sure_Visa #Poland_Embassy_New_Delhi

#Poland_Visa #Poland_Work_Permit_Visa #Poland_Job

#Poland_Student_Visa #Dhaka #Schengen_Visa #Bangladesh #Embassy_Contact #Sure_Visa #Poland_Embassy_New_Delhi

#Poland_Visa #Poland_Work_Permit_Visa #Poland_Job

#Poland_Student_Visa #Dhaka #Schengen_Visa #Bangladesh #Embassy_Contact #Sure_Visa #Poland_Embassy_New_Delhi

#Poland_Visa #Poland_Work_Permit_Visa #Poland_Job

#Poland_Student_Visa #Dhaka #Schengen_Visa #Bangladesh #Embassy_Contact #Sure_Visa #Poland_Embassy_New_Delhi

#Poland_Visa #Poland_Work_Permit_Visa #Poland_Job

#Poland_Student_Visa #Dhaka #Schengen_Visa #Bangladesh #Embassy_Contact #Sure_Visa #Poland_Embassy_New_Delhi

Poland Visa, Poland Work Permit Visa, Poland Job

Poland Student Visa, Dhaka, Schengen Visa, Bangladesh, Embassy Contact, Sure Visa, Poland Embassy New DelhiPoland-Work-Permit-Visa-Dhaka-Bangladesh-Call-01712779277-facebook-google-linkedin-twitter

German Visa

, ,

A Complete Guide to Germany Visa Requirements

Germany is one country in Europe that attracts a lot of visitors because of its rich cultural heritage, art and beautiful landscapes. Berlin and Munich are two of its most popular cities among tourists. And, why not? The country has so much to offer for all kinds of travellers! Germany is also a part of the Schengen region of Europe and thus require tourists to apply for a Schengen visa at the German embassy. In order to do that, you need to be aware of the Germany visa requirements and comply with them to ensure visa approval. In this article, we will share with you all that you need to do to fulfil Germany visa requirements and sail through the visa application process smoothly.

The Schengen visa allows barrier-free entry into all its 26 member states, which also includes Germany. This one visa enables a tourist to have access to all these countries without having to go through repeated checks while crossing borders within this region or having to get multiple visas for each country. This makes the Schengen visa one of the most sought after and lucrative visas globally.

However, you need to decide which country’s embassy you need to apply to, based on your travel plans and the point of entry and exit. So if you are planning to spend a considerable amount of time in Germany and just a couple of days in France, the embassy you should be applying to for a visa, is the German embassy. In that case, you need to know exactly how to go about it and what the German visa requirements are.

TYPES OF GERMAN VISAS:

There are typically 10 different kinds of visas the German embassy can issue to visitors.

  • Schengen Visa (Tourist, Visit)
  • Studying & Language Learning Visa
  • Job Seeker Visa
  • Business Visa
  • Airport Transit Visa
  • Working Visa
  • Guest Scientist Visa
  • Training/Internship Visa
  • Medical Treatment Visa
  • Trade Fair & Exhibitions Visa

Then Schengen visa is just one out of this list but is widely popular because of its appeal to tourists wanting to visit Europe. In this article we will focus on the requirements you need to fulfill in order to get a Schengen visa to travel to Germany.

WHAT ARE THE KEY GERMANY VISA REQUIREMENTS?

As part of the Schengen countries of Europe, here is a list of documents that need to be submitted in order for you to meet the Germany visa requirements.

  1. Passport – This is the obvious one! You need to hold a valid passport to be able to apply to the German embassy for a visa. Not only that, the passport needs to be valid for at least 6 months from when you send in your application. So even if you have a valid passport, if it is about to expire in the next 3 months, it will not be accepted by the embassy.
  2. Photos – 2 passport-sized photos need to be submitted as part of Germany visa requirements. The photos need to be clear and taken in well-lit conditions.
  3. Proof of accommodation – When applying for the visa, one of the documents that needs to be submitted is a proof of accommodation. It needs to show that you have either booked your own accommodation in Germany or have someone sponsoring your stay. This is one of the key components of the Germany visa requirements.
  4. Proof of transportation – This refers to documents showing proof of your confirmed air tickets, showing your travel dates and duration. It is basically an itinerary of your travel plans in Germany. This is another key component of the Germany visa requirements as outlined by the embassy.
  5. Travel health insurance – This includes valid and suitable health insurance plan covering the total number of days you will be staying in Germany
    Bank statement – A document from your bank showing your monthly transactions for the past 3 months
  6. No objection letter – This letter is required to validate your current status and assure the embassy that your have permission to travel. A no objection letter is typically obtained from your employer or school authorities.

The Germany visa requirements seem fairly straightforward at first glance. However, if you think carefully, you will notice that the proof of accommodation and proof of transportation are not that easy to show after all! This is because of a few reasons. In order to show these proofs, you need to purchase your air tickets and book your hotel rooms before initiating the visa application process. This can turn out to be a major issue later in case your visa does not get approved for any reason or the approval process takes longer than expected. If you don’t receive your visa on time to travel on the planned dates, both your flight tickets and hotel bookings go to waste.

Some airlines and hotels may provide a refund, but in most cases a huge chunk of money is lost as cancellation fees. And sometimes, if you do not cancel your reservations before a certain number of days, you may not even get any refund. This is an unwanted situation to be in, especially when you just wanted to plan a trip to Germany and enjoy your holidays.

With a little bit of planning, this situation can be avoided. In the next section, we tell you how!

FLIGHT RESERVATION AND HOTEL RESERVATION FOR GERMANY VISA REQUIREMENTS:

To help you fulfil Germany visa requirements and also avoid unnecessary loss of money due to cancellations, there is something known as flight reservation for visa and hotel reservation for visa application. A flight reservation for visa is simply a proposed flight itinerary that you can obtain from a verified travel agency, as opposed to purchasing a flight ticket from an airlines. These itineraries are like confirmed bookings and come with a unique reservation ID, but without having to pay for the tickets upfront. This eliminates the risk associated with purchase of flight tickets before having an approved visa in hand. In this case, once your visa is approved, you can go ahead and confirm the flight reservation by paying for the tickets.

In case your visa gets rejected, you still have the option to cancel the reservation without incurring any financial loss! The same strategy applies to hotel reservations. Instead of booking hotel rooms in advance without knowing when your Germany visa will come through, opt for a hotel reservation for visa application that can be cancelled or postponed at any point if your visa does not get approved. This provides you with a lot of flexibility as well as peace of mind to know that there is no risk of losing money! If you are interested in knowing more about these services, read our articles on flight reservation and hotel reservation for a step-by-step guide.

If you have been planning to arrange for all these documents or need any other assistance to fulfil the Germany visa requirements, reach out to us via our contact us page. Our team of experts have years of experience in handling these issues and will ensure that you have a smooth sail through the visa process!

GERMAN EMBASYY GUIDELINE

General information:
– All applicants are advised to take an online appointment prior to applying for their visa (www.dhaka.diplo.de/visa)
– Personal appearance at the German Embassy for submitting an application is mandatory.
– Minors have to be accompanied by their legal guardians (mainly the father) or if the father lives abroad, any authorised person (proof of written authorisation with Photo ID by the father attested by a German notary public)
– The time to process a Schengen visa application will require a minimum of seven days. However, in case an additional personal interview or additional supporting documents are necessary, the visa process might take up few days more.
– The visa application form form is available via: www.dhaka.diplo.de/visa.
The applicant has to date and sign the printout.

Link for Videx: https://videx.diplo.de

Information for Non-Bangladeshi applicants who have valid residence status in Bangladesh:

An application can only be filed in case you have a valid Bangladeshi Residence Permit with at least three months validity after the date of departure from the territory of the Member States.

Collection time for visa: Sunday – Thursday: 2.00 p.m.

 

General requirements irrespective of the purpose of travel:

  • valid passport (issued within the last 10 years and with at least 3 months validity after the scheduled return) with at least two empty pages
  • one Schengen Visa Application Form (all questions have to be answered)
    together with Declaration on True and Complete Information
  • two recent biometrical colour photographs, requirements are given here: www.dhaka.diplo.de/visa
  • one copy of your passport’s data page including each previous Schengen-, Asia-UK- or USA-Visa (if travelled) (A4 size copy)
  • copy of the roundtrip airline reservation with passenger registration number or reservation number together with your travel itinerary. If relevant, entry permits for the next destination/s of the trip
  • certificate of leave letter from your company (if employed)
  • No objection certificate from school or university (if student)
  • personal bank statements, credit card statements of balance covering the last six months complemented by any other proof of financial solvency. (only originals are accepted)
  • documents related to civil status:
    – Marriage Certificate – if married
    – Divorce certificate (“talak namah”) – if divorced
    – Death Certificate – in case you are a widow or widower
    – Birth Certificate of your children – if you have children –
  • travel health insurance policy (valid for all Schengen countries covering medical expenses of at least 30,000/- €, see www.dhaka.diplo.de/visa for recognized insurers in Bangladesh)

 

Download Complete Checklist : Here

চাকুরির জন্য বিদেশে যাওয়ার আগে করণীয়

, , , , , ,

পাসপোর্ট করুন

পাসপোর্ট হল বিদেশে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকার থেকে দেয়া একটি পরিচয়পত্র। পাসপোর্ট ছাড়া আপনি কখনও বিদেশে যেতে পারবেন না। পাসপোর্টের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার আপনাকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়। তবে যারা নতুন পাসপোর্ট করবেন বা পাসপোর্ট সংশোধন করবেন বা নবায়ন করবেন তারা অবশ্যই মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করবেন। এখানে উল্লেখ্য যে, ২০১২ সালের পর থেকে হাতে লেখা পাসপোর্ট কোথাও গ্রহণ করবে না। তাই যাদের কাছে হাতে লেখা পাসপোর্ট রয়েছে তারা মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করার জন্য এখনই উদ্যেগ নিন। যারা বিদেশে রয়েছেন তারা ২০১৪ সালের মধ্যে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রত্যেকটি দূতাবাসের মাধ্যমে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করাতে পারবেন। পাসপোর্ট তৈরির পুরো প্রক্রিয়াটি জানতে বিস্তারিত জানুন বাটনে ক্লিক করুন। এছাড়া পরের পৃষ্ঠায় উল্লিখিত লিংকগুলোতে ক্লিক করলে পাসপোর্ট ফর্ম পূরণের প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলী সহজভাবে বুঝতে পারবেন।

http://www.dip.gov.bd/?q=node/55-এ লিংকে পাসপোর্ট তৈরির জন্য যে ফর্মটি পূরণ করতে হয়, তা দেয়া আছে এবং এটি আপনি প্রিন্ট করে আপনার সকল তথ্য হাতে লিখে সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা করতে পারবেন।
এমআরপি’র জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে পূরণকৃত পিডিএফ ফর্মের নমুনা এখানে আপনার বোঝার সুবিধার জন্য উদাহরণস্বরূপ নাসরিন আক্তার নামের একজন ব্যক্তির তথ্য দিয়ে ফর্মটি পূরণ করা হয়েছে।
এমআরপি’র জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে পূরণকৃত অন-লাইন ফর্মের নমুনা এখানে আপনার বোঝার সুবিধার জন্য উদাহরণস্বরূপ নাসরিন আক্তার নামের একজন ব্যক্তির তথ্য দিয়ে ফর্মটি পূরণ করা হয়েছে।
পাসপোর্ট ফর্ম পূরণের নির্দেশাবলী-এ লিংকে পাসপোর্ট ফর্মের কোন তথ্য কোন স্থানে লিখতে হবে তা একটি ফর্মের মধ্যে নির্দেশনাকারে দেখানো হয়েছে। তবে এ নির্দেশনাগুলো শুধুমাত্র দেখার জন্য।
পাসপোর্ট অফিসগুলোর নাম ও ঠিকানা-এ লিংকে ক্লিক করলে সমগ্র বাংলাদেশের পাসপোর্ট প্রদানকারী বিভাগীয় ও আঞ্চলিক অফিসগুলোর নাম ও ঠিকানা দেখতে পাবেন। আপনার সুবিধা অনুযায়ী কোন অফিস থেকে পাসপোর্ট তৈরি করবেন তা নির্ধারণ করে নিন।

বিদেশে চাকুরির ব্যবস্থা করুন

 

বিদেশে কর্মজীবি হিসেবে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিদেশে চাকুরি খোঁজার জন্য কয়েকটি উপায় রয়েছে যথা:

বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশ গমন করতে পারেন। বর্তমানে বাংলাদেশে ৮৪৯টি বৈধ এজেন্সি রয়েছে। একটি লিংক দেয়া হল, এতে ক্লিক করলে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটি ওয়েবাসইটের বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির সর্বশেষ তালিকাটি দেখতে পাবেন:http://www.bmet.gov.bd/BMET/raHomeAction
এ লিংকে ক্লিক করলে বিদেশে কর্মী প্রেরণকারী যেকোন রিক্রুটিং এজেন্সির বৈধতা পরীক্ষা করা যায়। এখানে সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সির নাম, লাইসেন্স নম্বর অথবা মালিকের নম্বর দিয়ে সার্চ করার ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া এতে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা, স্থগিত ও বাতিলকৃত রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর তালিকাও দেখা যায়।

শুধুমাত্র নারীকর্মী বিদেশে প্রেরণকারী এজেন্সির সহায়তা নেয়ার মাধ্যমে বিদেশ গমন করতে পারেন। এখানে একটি লিংক দেয়া হল যেখানে ক্লিক করলে নারীকর্মী প্রেরণকারী এজেন্সিগুলোর নাম ঠিকানা পাওয়া যাবে। লিংকটি হল বাংলাদেশ থেকে নারীকর্মী প্রেরণকারী বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিসমূহের ঠিকানা। এ তালিকাটি জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটি অফিস ভবনের এক্সটেনশন বিল্ডিং-এর দোতালায় অবস্থিত নারী অভিবাসী তথ্য কেন্দ্রে পাবেন। এছাড়া বিএমইটি অফিসের মূল ভবনের পাঁচতলায় অবস্থিত কর্মসংস্থান শাখায় বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির সর্বশেষ তালিকাটি পাওয়া যায়। চাকুরি খোঁজার জন্য সহায়তা নেয়ার আগে যেকোনো এজেন্সিতে যোগাযোগ করার সময় অবশ্যই তাদের নাম ঠিকানা ও লাইসেন্স নম্বর বিএমইটির অফিস থেকে প্রাপ্ত বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির সর্বশেষ তালিকায় আছে কিনা তা নিজ দায়িত্বে পরীক্ষা করে নেবেন।
আপনার এলাকার সংশ্লিষ্ট জেলা ডিসি অফিসে বিদেশগমনেচ্ছু কর্মীর তালিকায় নাম লেখার মাধ্যমে কর্মী হিসেবে সরকারিভাবে বিদেশ গমন করতে পারেন।

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বোয়েসেল-এর মাধ্যমে বিদেশ গমন করতে পারেন। বোয়েসেল’র সাথে যোগাযোগের ঠিকানা তাদের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। বোয়েসেলের ওয়েবসাইটের লিংকটি হল: http://www.boesl.org.bd/ 
এছাড়া বিদেশে অবস্থানরত আপরনার আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব দ্বারা ভিসাপত্র সংগ্রহ করার মাধ্যমে বিদেশ গমন করতে পারেন।
বিদেশে বাংলাদেশি কোন কোম্পানীর মাধ্যমে বিদেশ গমন করতে পারেন।
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটির মাধ্যমে বিদেশ গমন করতে পারেন। বাংলাদেশ থেকে সম্পূর্ণ সরকারি পর্যায়ে কোন দেশের সাথে কর্মী প্রেরণের চুক্তি হলে বিএমইটি’র মাধ্যমে বিদেশ গমন করা যায়।
উল্লেখ্য যে, বর্তমানে বিদেশে কর্মজীবি হওয়ার জন্য বাংলাদেশে বৈধ প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা রয়েছে ফলে বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে কেনো প্রতারক দালালের সহায়তা নেয়ার প্রয়োজন নেই। “আপনাকে কিছু করতে হবে না আমি সব করে দেব” এই ধরনের কোনো প্রলোভনে বিশ্বাস করবেন না বা বিশ্বাস করে বিদেশে চাকুরি পাবার আশায় কাউকে টাকা দেবেন না। উল্লেখ্য যে, এ ধরনের প্রলোভন শুধুমাত্র দালাল বা মধ্যসত্বভোগীরাই দিয়ে থাকে। কারণ কর্মজীবি হিসেবে বিদেশ গমনের প্রস্তুতি গ্রহণ প্রক্রিয়া ঘরে বসে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। এ প্রক্রিয়ার অনেক ধাপেই প্রার্থীকে অর্থাৎ আপনার সম্পৃক্ত থাকা জরুরি।

ভিসা সংগ্রহ ও যাচাই করুন

আপনি যে মাধ্যমে (বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি, বোয়েসেল বা বিএমইটি) বিদেশে চাকুরির ব্যবস্থা করছেন তারা আপনার জন্য কাজের ভিসা সংগ্রহ করে দেবে। এক্ষেত্রে আপনার জন্য নির্দেশনা হল ভিসার আবেদনের পর নিজ দায়িত্বে ভিসার ব্যাপারে রিক্রুটিং এজেন্সির সাথে সবসময় যোগাযোগ রাখবেন।
ভিসা হাতে পাবার পর ভিসা চেকিং করা একটি জরুরি বিষয়। আপনার ভিসাটি সঠিক কিনা তা যাচাই করাকেই বলে ভিসা চেকিং বা পরীক্ষা করা। ভিসা চেকিং (ভিসা সঠিক কিনা তা যাচাই) বা পরীক্ষার জন্য আপনাকে ঢাকায় অবস্থিত জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটি অফিসের ওয়ানস্টপ সার্ভিস ডেস্ক-এর সহায়তা নিতে হবে। আপনি সঠিক ভিসায় কর্মী হিসেবে বিদেশে যাচ্ছেন কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য ভিসা চেকিং বা পরীক্ষা করা খুব প্রয়োজনীয় একটি ধাপ।

কুইক ডেলিভারি সার্ভিস ডেস্ক
বিএমইটি অফিস বিল্ডিং (নিচতলা)
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)
৮৯/২, কাকরাইল
ঢাকা-১০০০

ভিসা সংগ্রহ ও যাচাই করুন

তবে ইন্টারনেটের সাহায্যে কয়েকটি দেশের ভিসা চেকিং আপনি নিজেই করতে পারবেন। আপনার এলাকার বা তার কাছাকাছি যে কোন ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র, পল্লীতথ্য কেন্দ্র বা ইন্টারনেট সংযোগ আছে এমন কোন সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে তথ্যকর্মীর সহায়তা নিয়ে ভিসা চেকিং করতে পারেন। নিম্নে কয়েকটি দেশের শ্রম মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের ঠিকানা দেয়া হল যেগুলোর সাহায্যে অন-লাইনের মাধ্যমে আপনি নিজের ভিসা নিজে চেকিং করতে পারবেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউ.এ.ই)-এর ভিসা চেক করার ঠিকানাটি হল: http://www.mol.gov.ae
কাতার-এর ভিসা চেকিং ঠিকানাটি হল: http://www.moi.gov.qa
বাহরাইন-এর ভিসা চেকিং ঠিকানাটি হল http://www.imra.gov.bh

চাকুরির চুক্তিপত্র বুঝে নিন

কর্মজীবি হয়ে বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে চাকুরির চুক্তিপত্র হাতে পাওয়ার পর তা আসল কিনা তা পরীক্ষা করিয়ে নেয়া এবং এতে উল্লেখিত সকল বেতন-ভাতা, অন্যান্য শর্ত ও সুবিধাদি বুঝে নিয়ে স্বাক্ষর করা বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে একটি প্রয়োজনীয় ধাপ। চুক্তিপত্র ছাড়া কোন চাকুরি করলে নিয়োগকর্তা আপনার সাথে নিয়মের বাহিরে কাজ করাতে চাইলে কোন আইননুগ ব্যবস্থা নেয়া যায় না বিধায় যেকোনো চাকুরিতে যোগদানের ক্ষেত্রে চুক্তিপত্র বুঝে নিয়ে স্বাক্ষর করা খুবই জরুরি। আপনি যে রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে চাকুরির আবেদন করেছেন তারাই আপনাকে চাকুরির চুক্তিপত্র হাতে পাবার ব্যবস্থা করে দেবে। তবে আপনি যদি কোন বন্ধু বা পরিচিত কেউ বা আত্মীয়ের মাধ্যমে চাকুরির ব্যবস্থা করে থাকেন তাহলে সে ব্যক্তির কাছ থেকে চুক্তিপত্র হাতে পাবেন।

ভিসা পেপারের মত চুক্তিপত্রও চেকিং (চুক্তিপত্র সঠিক কিনা তা যাচাই) করতে হয় ও সংশ্লিষ্ট দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস দ্বারা সত্যায়িত করতে হয়। আপনি যে রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে চাকুরি পাবেন তারাই আপনাকে চুক্তিপত্র সত্যায়িত করার ব্যবস্থা করে দেবে। ঢাকায় অবস্থিত জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটি অফিসের ওয়ানস্টপ সার্ভিস ডেস্ক থেকে চুক্তিপত্র চেকিং-এর সেবা বিনা খরচে দেয়া হয়। এছাড়া এ সেবা পাবার জন্য ‘বায়রা’ (বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সি) অফিসেও যোগাযোগ করতে পারেন।

ব্যাংক একাউন্ট খুলুন

দেশে বৈধভাবে টাকা পাঠানোর এবং অর্জিত টাকা সঠিকভাবে সঞ্চয় করার জন্য কর্মজীবি হিসেবে দেশ ছাড়ার আগে আপনাকে ব্যাংক একাউন্ট খুলতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি দুটি ব্যাংক একাউন্ট খুলবেন। একটি একাউন্ট যৌথ নামে অর্থাৎ আপনি এবং আপনার পরিবারের বিশ্বস্ত সদস্যের নামে। এ যৌথ একাউন্টে আপনি শুধু আপনার পরিবারের লালন-পালনের খরচ বা তার থেকে সামান্য বেশি অর্থটুকুই পাঠাবেন। আর একটি একাউন্ট খুলবেন নিজের নামে। আপনি বিদেশে কাজ করে উপার্জিত অর্থ থেকে আপনার পরিবার পরিচালনা ব্যয় প্রেরণের পর ও বিদেশে আপনার জীবনের ব্যয়ভার পরিচালনার পর যদি আপনার কাছে কোন বাড়তি অর্থ থাকে তাহলে সেটা আপনি আপনার নিজের নামে একাউন্টে পাঠিয়ে দেবেন। এখানে বলে রাখা ভাল যে একক একাউন্ট-এর কথা আপনি পরিবারের কাছে গোপন রাখবেন।

স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন

কর্মজীবি হিসেবে বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে বৈধ ভিসা পাবার জন্য কাজের দেশের দূতাবাস দ্বারা নির্ধরিত মেডিকেল সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা মেডিকেল টেস্ট করে নেয়া একটি জরুরি ধাপ ও এটি একটি বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া। কর্মী হিসেবে বিদেশে যেতে হলে ভিসা ও চুক্তিপত্র পাবার জন্য অন্যান্য কাগজপত্রের সাথে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফলাফলের কাগজ জমা করতে হয়। উল্লেখ্য যে, বিদেশ গমন প্রস্তুতি শেষে পাসপোর্ট, ভিসা ও চাকুরির চুক্তিপত্র হাতে পাওয়ার পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হয়। নিয়োগকারী দেশ অর্থাৎ আপনি যে দেশে কাজ করতে যাচ্ছেন সে দেশের স্ব-স্ব দূতাবাস কর্তৃক নির্ধারিত মেডিকেল সেন্টারের মাধ্যমে মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়। এছাড়া আপনি আপনার স্থানীয় এলাকার থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকেও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ফলাফল সনদ সংগ্রহ করতে পারেন।

মেডিকেল সেন্টারে কুপন দেখিয়ে টাকা জমা করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবেন। পরীক্ষার ফলাফল কবে, কখন হাতে পাবন তা মেডিকেল সেন্টার থেকে জেনে নেবেন। আপনি যে দেশে কাজ করতে যাচ্ছেন সে দেশের দূতাবাসের গেটে গিয়ে কাজের ভিসা ও চুক্তিপত্র দেখিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার কুপন সংগ্রহ করা যায়। এছাড়া রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো সাধারণত বিদেশ গমনেচ্ছুদের কুপন সংগ্রহ করাসহ স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করে থাকে। স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে ২,১০০/- টাকা খরচ হয়। তবে এ খরচ বিদেশ গমনের জন্য নির্ধারিত ২০,০০০/- টাকা-এর মধ্যে অন্তর্ভূক্ত।
স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যে বিষয়গুলো দেখা হয়:
• সাধারণ শারীরিক পরীক্ষা;
• মলমূত্র পরীক্ষা;
• এক্স-রে পরীক্ষা;
• রক্ত পরীক্ষা : এইচএসবিএসজি, হেপাটাইটিস ‘এ’ ও ‘বি’, ভিডিআরএল (যৌনরোগ/সংক্রমন পরীক্ষা), এইচআইভি (এইডস-এর পরীক্ষা), টিউবারকিউলোসিস (যক্ষ্মার পরীক্ষা), ম্যালেরিয়া, লেপ্রোসি, মহিলাদের ক্ষেত্রে গর্ভবতী কিনা ইত্যাদি বিষয়ের পরীক্ষা করা হয়।

 

বিএমইটি’র ব্রিফিং-এ অংশগ্রহণ করুন

কর্মজীবি হিসেবে বিদেশ গমনের আগে ঢাকায় অবস্থিত জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটি অফিসে পরিচালিত ব্রিফিং সেশনে অংশগ্রহণ করা অবশ্য করণীয় কাজের মধ্যে একটি। এ ব্রিফিং সম্পন্ন না করলে বিএমইটি থেকে স্মার্ট কার্ড বা ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স কার্ড দেয়া হয় না। বিএমইটি অফিসে এক্সটেনশন বিল্ডিং-এ দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত ব্রিফিং সেন্টারে প্রতিদিন (ছুটির দিন ছাড়া) ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। ব্রিফিং শেষে ব্রিফিং রুম থেকে আপনার পাসপোর্টে ব্রিফিং সম্পন্ন হয়েছে মর্মে একটি সিল দেবে। স্মার্ট কার্ড তোলার সময় ব্রিফিং সিল সম্বলিত আপনার পাসপোর্টটি প্রয়োজন হবে।
বিএমইটি ব্রিফিং এর জন্য যেখানে যেতে হবে:

জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটি অফিস
এক্সটেনশন বিল্ডিং (দ্বিতীয় তলা)
৮৯/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০

স্মার্ট কার্ড বা ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স কার্ড করুন

কর্মজীবি হয়ে বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে আপনাকে বাধ্যতামূলকভাবে বিএমইটি থেকে বহির্গমন ছাড়পত্র সংগ্রহ করতে হবে। আপনি যে বাংলাদেশ থেকে কর্মী হিসেবে অন্য দেশে যাচ্ছেন তার আনুষ্ঠানিক সরকারি স্বীকৃতি হল এ বহির্গমন ছাড়পত্র বা ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স কার্ড। এটি এক ধরনের কম্পিউটার চিপ সংযুক্ত কার্ড। এতে একজন কর্মী হিসেবে আপনার যাবতীয় তথ্য যেমন: আপনার পাসপোর্টের তথ্য, আপনার আঙ্গুলের ছাপ, আপনি যে রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কাজ পেয়েছেন তাদের লাইসেন্স নম্বর ইত্যাদি দেয়া থাকে। স্মার্ট কার্ড তৈরি করতে হলে আপনাকে কী করতে হবে, কোথায় যেতে হবে, এবং কার সাথে যোগাযোগ করতে হবে ইত্যাদি বিষয়ে আরও জানতে বিস্তারিত জানুন বাটনে ক্লিক করুন। এছাড়া স্মার্ট কার্ড হাতে পাবার ক্ষেত্রে দুটি প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের নমুনা সম্বলিত লিংক নিম্নে দেয়া হল:
নমুনা অঙ্গীকারপত্র : এ লিংকে ক্লিক করলে একটি নমুনা অঙ্গীকারপত্র আপনার কম্পিউটারে ডাউনলোড হবে। এতে আপনার সব তথ্য কম্পোজ করে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প কাগজে প্রিন্ট নেয়ার পর, স্বাক্ষর করে সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা করতে পারেন।
নমুনা অনাপত্তিপত্র : এ লিংকে ক্লিক করলে একটি নমুনা অনাপত্তিপত্র আপনার কম্পিউটারে ডাউনলোড হবে। এতে আপনার সব তথ্য কম্পোজ করে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প কাগজে প্রিন্ট নেয়ার পর, স্বাক্ষর করে সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা করতে পারেন।
নমুনা দরখাস্ত (স্মার্ট কার্ডে ভুল সংশোধনের জন্য) : এ লিংকে ক্লিক করলে একটি নমুনা দরখাস্ত আপনার কম্পিউটারে ডাউনলোড হবে। এতে আপনার সব তথ্য কম্পোজ শেষে প্রিন্ট করে সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা করতে পারেন।

ব্যাগগুলো গুছিয়ে নিন
কর্মজীবি হিসেবে বিদেশ গমনের আগে আপনার ব্যাগগুলো গুছিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়ম আছে যা আইনগতভাবে মেনে চলতে হয়, মেন: আপনার ব্যাগে নিম্নলিখিত জিনিসগুলো নেয়া যাবে না :
 ব্লেড, ছুরি, কাঁচি বা যে কোনো ধরনের ধারালো জিনিস;
আগুন ধরে এমন জিনিস যেমন: লাইটার বা দিয়াশলাই;
নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য যেমন: গাঁজা, হেরোইন, ইয়াবা, ফেন্সিডিল ও মদের বোতল ইত্যাদি; মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, পোল্ট্রি জাতীয় বা রান্না করা খাবার যা অল্প সময়ের মধ্যে পচনশীল;
দুর্গন্ধ বের হয় এমন পদার্থ।

ব্যাগের সংখ্যা : বিদেশ গমনকালে আপনি দুটি ব্যাগ বহন করতে পারবেন। যেমন : প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বহনের জন্য হাত ব্যাগ ও জামা-কাপড় বহন করার জন্য বড় ব্যাগ। উল্লেখ্য যে হাত ব্যাগ ও বড় ব্যাগকে যথাক্রমে ক্যারি অন ব্যাগ ও চেক ইন ব্যাগ বলা হয়।
ব্যাগের ওজন : আপনার বহনকৃত ব্যাগুলোর ওজন হতে হবে একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে। যেমন : একজন যাত্রীর বহনকৃত হাত ব্যাগের ওজন হবে ৭ কেজি, বড় ব্যাগের ওজন হবে ২০ কেজি।
ব্যাগে নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসের তালিকা : আপনি যে সময়ের জন্য বিদেশে অবস্থান করবেন সে অনুযায়ী ও প্রয়োজন বিবেচনা করে আপনার ব্যক্তিগত জরুরি জিনিসগুলোর একটা তালিকা করে নেবেন।

বিমান ভ্রমণের সময় করণীয় জেনে নিন
প্রথমবার বিদেশ গমনকারী যাত্রী হিসেবে বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রে কিছু বিষয়ে জেনে নেয়া আপনার জন্য দরকারি একটি বিষয়। বিমান ভ্রমণের সময় প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সংক্ষেপে নিম্নে উল্লেখ করা হল :
 বোর্ডিং পাসে লেখা সিট নম্বরটি দেখে বিমানে আপনার আসন বা সিট খুঁজে নিয়ে বসুন এবং বিমান উড্ডয়নের সময় আপনার সিটের বেল্টটি বেঁধে নিন।
বিমানের ভিতরে ধূমপান করা, মোবাইল ফোনে কথা বলা ও রেডিও শোনা সম্পূর্ণ নিষেধ, তাই এগুলো থেকে বিরত থাকুন।
আপনার বিমানযাত্রার পরিবেশনকৃত খাবারের মূল্য টিকিটের মূল্যের অন্তর্ভূক্ত থাকায় এ খাবারের কোন মূল্য দিতে হয় না। তবে এর অতিরিক্ত চিপস, চকলেট, কোমল পানীয় বা খাবার পানির বোতল ইত্যাদির জন্য আপনাকে অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে হবে।
বিমানের ভেতর টয়লেট ব্যবহারের নিয়ম বিমানের সেবাদানকারী ব্যক্তির কাছে জেনে নিন।
বিমানের সেবাদানকারী ব্যক্তির সহায়তায় নিজ-এম্বারকেশন কার্ড ও কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ফর্ম পূরণ করে নিন, বিমান ভ্রমণে প্রয়োজনীয় সাধারণ কথাবার্তার ইংরেজি সংলাপগুলোর তালিকা– এ তালিকায় ইংরেজি সংলাপগুলো অর্থসহ বাংলা উচ্চারণে লেখা হয়েছে। সংলাপগুলো অনুশীলনের মাধ্যমে আপনাকে আয়ত্তে আনতে হবে।
আপনার বিমানযাত্রায় ট্রানজিট বা যাত্রা বিরতি থাকলে আপনাকে ট্রানজিট দেশের এয়ারপোর্টে নামতে হবে। ট্রানজিট সাধারণত সর্বনিম্ম এক ঘণ্টা থেকে একদিন হতে পারে।

 

বিদেশের এয়াপোর্ট অনুষ্ঠানিকতা কী হবে তা জেনে নিন

কাজের দেশের এয়ারপোর্টে অবতরণ করে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সঠিকভাবে সম্পন্ন করে গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর জন্য আপনাকে কিছু বিষয় জানতে হবে। বিদেশে বিমান বন্দরের আনুষ্ঠানিকতাগুলো নিম্নে সংক্ষেপে উল্লেখ করা হল :

বিমান থেকে নেমে বোর্ডিং ব্রিজ পার হয়ে ইমিগ্রেশন ডেস্কে গিয়ে আপনার পাসপোর্টটি, ভিসা এডভাইস পেপার, চাকুরির চুক্তিপত্র ও টিকিট দেখিয়ে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে নিন।
কনভেয়ার বেল্ট (এ বেল্টের মাধ্যমে মালামাল প্লেন থেকে নামানো হয়) থেকে আপনার নিজের ব্যাগটি সংগ্রহ করুন। এক্ষেত্রে আপনার টিকিটে উল্লেখিত এয়ালাইন্সের ফ্লাইট নম্বর দেখে সে অনুযায়ী কনভেয়ার বেল্ট খুঁজে নেবেন।
ব্যাগ হারিয়ে গেলে বা খুঁজে না পাওয়া গেলে এয়ারপোর্টের “লস্ট এন্ড ফাউন্ড” ডেস্কে (যে ডেস্ক থেকে যাত্রীদের মালামাল হারিয়ে গেলে তা খুঁজে দেয়া হয়) গিয়ে আপনার ব্যাগ হারিয়ে গেছে মর্মে অভিযোগ দাখিল করুন।
ব্যাগ সংগ্রহের পর কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ও সিকিউরিটি চেকিং করুন।
সবশেষে বিমান বন্দরের বাহিরে অপেক্ষারত গৃহমালিককে খুঁজে নিন। এক্ষেত্রে আপনাকে চিনে নেবার জন্য আপনার নাম ধরে ডাকা হতে পারে অথবা আপনার নাম লেখা প্লেকার্ড দেখাতে পারে।

এ ধাপগুলোর সম্পর্কে আরও জানতে বিস্তারিত জানুন বাটনে ক্লিক করুন।
বিদেশের বিমান বন্দরের ধাপগুলো সম্পর্কে ছবি দেখে বুঝে নিন : এ লিংকে ক্লিক করলে বিদেশে বিমান বন্দর পার হবার ধাপগুলো ছবির সাহায্যে দেখতে পাবেন। বিদেশের বিমান বন্দরে নেমে সকল আনুষ্ঠানিকতাগুলো কীভাবে পর্যায়ক্রমিক ধাপ অনুসারে সম্পন্ন করতে হয় তা ভালভাবে বোঝার জন্য এখানে একটি ছকের মাধ্যমে কতগুলো ছবি দিয়ে দেখানো হয়েছে। আপনি বিদেশ গমনের আগে এ ছকটি প্রিন্ট করে নিতে পারেন।

বিদেশের নিয়ম-কানুন কেমন জেনে নিন

বিদেশে অর্থাৎ যে দেশে আপনি কাজের জন্য গিয়েছেন, সে দেশে নিজেকে মানিয়ে নিতে যে বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে হবে সেগুলো হল :
সে দেশের সাধারণ আই-কানুন;
সে দেশের সামাজিক আচার-আচরণ;
সে দেশের রাস্তা চলাচলের নিয়ম;

সে দেশের আবহাওয়া;
সে দেশের খাদ্যাভ্যাস;
সে দেশের বিপদে পড়লে সাহায্য চাইবার জন্য জরুরি ফোন নম্বর;
সে দেশে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করার উপায়;
বাংলাদেশি দূতাবাসের মাধ্যমে আপনার প্রাপ্য সকল সুবিধা ও অধিকার;
যে শহরে আছেন সে শহরের যাতায়াত ব্যবস্থা;
আপনার বসবাসের স্থান ও কাজের স্থান সম্পর্কে তথ্য;
নিকটবর্তি গ্রসারি বা মুদির দোকান, বাজার, পোস্ট অফিস, টেলিফোন বুথ ইত্যাদির অবস্থান;
সে দেশে অবস্থানরত আপনার চেনা-জানা স্বদেশি বন্ধু-আত্মীয়ের ঠিকানা ও ফোন নম্বর।

এ বিষয়গুলোতে দেশভিত্তিক ভিন্নতা রয়েছে।

বিদেশ গমনের পর কাজে যোগ দেয়ার আগে করণীয়গুলো নিম্নে সংক্ষেপে উল্লেখ করা হল:

আপনি যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করবেন সেখানে আপনার নিয়োগকর্তার সাথে ভালভাবে পরিচিত হয়ে নিন।
বিদেশের শ্রম অফিস বা অভিবাসন ডিপার্টমেন্ট থেকে ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করে নিন। তবে গৃহকর্মী ও সেবাকর্মী পেশায় কাজ করতে গেলে আপনার গৃহমালিক নিজেই আপনার ওয়ার্ক পারমিটের ব্যবস্থা করে দেবে।
কাজে যোগদানের আগে যদি নিয়োগকর্তা বা গৃহমালিকের কাছে ওয়ার্ক পারমিট সিল সম্বলিত পাসপোর্ট দিয়ে দিতে হয় তাহলে অবশ্যই তার ফটোকপি নিজের কাছে রয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হয়ে নেবেন।

বিদেশ গমনের পর কাজে যোগ দেয়ার পরে করণীয়গুলো নিম্নে সংক্ষেপে উল্লেখ করা হল:

কাজে যোগদানের পর আপনি যে জায়গায় কাজ করছেন সেখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নিন।
কর্মস্থলে আপনার পদমর্যাদা ও নামঠিকানা, কর্মস্থলের নামঠিকানা, নিয়োগকারীর স্বাক্ষরসহ একটি পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে নিন।
সকল সুবিধা ও শর্তাদি আপনার চুক্তিপত্র অনুযায়ী সঠিক আছে কিনা তা যাচাই করে নিন।
দূতাবাস এবং শ্রম উইং-এর সাথে যোগাযোগ ও সেখান থেকে প্রাপ্ত সুবিধা ও অধিকার জেনে নিন

বিদেশে কাজ করার ক্ষেত্রে কর্মজীবি হিসেবে কাজের দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস ও সেখানকার শ্রম উইং থেকে আপনার প্রাপ্ত সুবিধা ও অধিকারগুলো জেনে নেয়া জরুরি নিম্নে এগুলো সংক্ষেপে উল্লেখ করা হল :

নারীকর্মী হিসেবে আপনি যে দেশের যে শহরে কাজ করতে গেছেন সেখানে আপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সেখানে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাস অফিসে ফোন করে আপনার কর্মস্থল সম্পর্কে জানাবেন। বিএমইটি ব্রিফিং পর্বে পাওয়া ছোট তথ্যবইগুলোতে দেশ ও শহরের নাম অনুযায়ী বাংলাদেশি দূতাবাসের ঠিকানা ও ফোন নম্বর দেয়া থাকে। এ বইটি সবসময় আপনা কাছে রাখবেন।

 

এছাড়া জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ বা বিএমইটি অফিসের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগকারী বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাস ও শ্রম উইং-এর যোগাযোগের ঠিকানা ও ফোন নম্বর পাওয়া যাবে। লিংকটি হল :http:/www.bmet.org.bd/BMET/labourWingsAction
এছাড়া আপনি যে এলাকায় কাজ করছেন সেখানে কাছাকাছি আপনার কোন পরিচিত বন্ধু বা আত্মীয় থাকলে তাদের সাথে সবসময় ফোনে যোগাযোগ করবেন।

 

আইনি সহযোগিতা কোথায় পাবেন জেনে নিন

বিদেশে কর্মী হিসেবে প্রয়োজনে আইনি সহযোগিতা পেতে হলে আপনাকে সেখানে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাস ও শ্রমউইং-এর সাথে যোগাযোগ করতে হবে। সেখানে কর্মীদের আইনি সহযোগিতা দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে;
কর্মী হিসেবে বেতন না পাওয়া, চুক্তিতে লিখিত বেতনের চেয়ে কম বেতন দেয়া, শারীরিক নির্যাতনের শিকার হওয়া, অশালীন ভাষায় কথা বলা, যৌন হয়রানির শিকার হওয়াসহ মালিকের সাথে যে কোন ধরনের সমস্যা হলে সে বিষয়ে দূতাবাসে লিখিত আবেদন করতে পারবেন;
অভিযোগ দাখিলের আবেদনপত্র দূতাবাসের শ্রমউইং-এ পাওয়া যায়। দূতাবাসের নিয়োগকর্তার সাথে যোগাযোগ করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে পারবেন;
তারপরেও যদি সমস্যা সমাধান না হয় তাহলে শ্রম দপ্তর, শ্রম আদালতে যেতে, সেখানে আবেদন পেশ করে শুনানির জন্য এবং বিচার পাওয়ার জন্য দূতাবাসের থেকে আইন সহায়তাকারী এবং অনুবাদক বা দোভাষীর সহায়তা চাইতে পারেন;
এ লিংকটিতে ক্লিক করলে http://www.bmet.org.bd.BMET/labourWingsAction বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগকারী বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাস ও শ্রমউইং-এর যোগাযোগের ঠিকানা ও ফোন নম্বর পাওয়া যাবে।
অভিযোগ দাখিলের আবেদনপত্র দূতাবাসের শ্রমউইং-এ পাওয়া যায়। দূতাবাসের নিয়োগকর্তার সাথে যোগাযোগ করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে পারবেন। বিএমইটি’র ওয়েবসাইটে অন-লাইনের মাধ্যমে অভিযোগ দাখিলের ব্যবস্থা রয়েছে এ লিংকটি হল http:/www.ovijogbmet.org/

প্রবাসী কল্যাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত সুবিধাদি জেনে নিন
বিদেশে কর্মজীবি হিসেবে প্রবাসী কল্যাণ তহবিল বা ওয়েজয়ার্নার্স ফান্ড থেকে আপনার প্রাপ্য সুবিধাগুলো হলে:
 বৈধভাবে কর্মজীবি হয়ে বিদেশে কর্মরত অবস্থায় মৃত ব্যক্তির লাশ দেশে ফেরত আনার ব্যাপারে সেখানে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাস সহায়তা করে থাকে। প্রবাসী কল্যাণ তহবিল দাফন খরচ বাবদ ৩৫,০০০ (পঁয়ত্রিশ হাজার) টাকা আর্থিক সাহায্য দেয়;
বৈধভাবে কর্মজীবি হয়ে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মী সে দেশে মৃত্যুবরণ করলে এবং নিয়োগকর্তা হতে কোন ক্ষতিপূরণ না পেলে জনশক্তি ব্যুরোর কল্যাণ তহবিল থেকে সর্বোচ্চ ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকার অনুদান মৃতের উত্তরাধিকারীদেরকে প্রদান করা হয়;
বৈধভাবে কর্মজীবি হয়ে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীর মৃত্যু হলে, নিয়োগকর্তা দ্বারা মৃতদেহ দেশে প্রেরণ করা সম্ভব না হলে কল্যাণ তহবিলের অর্থায়নে বিদেশে মৃত কর্মীদের লাশ ফেরত আনা হয়;
বৈধভাবে কর্মজীবি হয়ে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি মৃত কর্মীদের নিয়োগকর্তার নিকট থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয় ও সে ক্ষতিপূরণের টাকা মৃতের বৈধ উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়;
বিদেশে অর্থকষ্টে পড়া এবং অসুস্থ অবস্থায় ফেরত আসা কর্মীদের চিকিৎসা বাবদ প্রসামী কল্যাণ তহবিল থেকে বিশেষ বিবেচনায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়;

কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্যগত ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সতর্কতাগুলো

 

নিয়োগকর্তা বা গৃহমালিকের কাছে পাসপোর্ট হস্তান্তর করলে অবশ্যই আপনার নিজের কাছে এক সেট ফপোকপি আছে কিনা তা নিশ্চিত হয়ে নেবেন।

চাকুরিতে যোগদেবার সময় নিয়োগকর্তার বা গৃহমালিকের কাছ থেকে আপনার ওয়ার্ক পারমিট বা আকামা ও পরিচয়পত্র হাতে নেবার সময় কোনভাবেই কোন সাদা কাগজে স্বাক্ষর বা টিপসই দেবেন না। এক্ষেত্রে কোন ধরণের অনুরোধ বা চাপের গুরুত্বব দেবেন না।
বিদেশে পৌঁছে কাজ শুরু করার পরে বা আগে বিদেশস্থ নিয়োগ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বা অন্য কেউ যে কিনা নারী পাচারকারী দলের সাথে সংযুক্ত, আপনাকে বেশি বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে অন্য কোথাও চাকুরির প্রস্তাব দিতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে অর্থাৎ চাকুরি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে চিন্তাভাবনা না করে দূতাবাসের মাধ্যমে নতুন নিয়োগকর্তার সম্পর্কে খোঁজ না নিয়ে কোনভাবেই কোন নতুন সিদ্ধান্ত নিবেন না। এ চেষ্টায় অনেক সময় বৈধ শ্রমিকও বিদেশে অবৈধ হয়ে পরে। যার পরিণতিতে তারা জেল-জরিমানার কবলে পরে অনেক ক্ষেত্রে দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া পাচারকারী দলের সদস্যরা বেশি বেতন দেয় এমন চাকুরির লোভ দেখিয়ে আপনাকে নিয়ে অসামাজিক কাজে লিপ্ত করতে পারে। তাই এসব বিপদ থেকে এড়িয়ে চলার জন্য আপনার কর্মস্থলের পার্শ্ববর্তি এলাকায় অপরিচিত লোকের সাথে সহজে মেলা-মেশা করবেন না।
সংযুক্তি আরব আমিরাত ও সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোতে চরম ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করে তাই এসব দেশে কাজ করতে গেলে সুস্থ থাকার জন্য আপনি প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে ও সুষম খাবার খাবেন। এবং যে সময়টুকু কাজ করবেন না সে সময়টুকু বিশ্রাম নেবে।

মনে রাখবেন সুস্থ থাকতে হলে আপনাকে ব্যক্তিগতভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। আপনি যে রুমে থাকবেন সে রুমটি বাথরুমসহ সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রাখবেন।
গৃহকর্মী বা কেয়ারগিভার পেশায় গেলে আহার ও বাসস্থানেরমত আপনার চিকিৎসা সেবাও বিনা খরচে হয়ে থাকে তাই কোন কারণে অসুস্থ বোধ করলে দ্রুত গৃহমালিককে জানাবেন। এবং এ ব্যাপারে সবসময় সতর্ক থাকবেন।
বিদেশে কাজ করতে গিয়ে আপনাকে কিছু মারাত্মক রোগ যেমন: এইডস, হেপাটাইটিস, যৌন সংক্রমিত রোগ ইত্যাদি সম্পর্কে সচেতন থাকবেন।
গৃহের ভিতরে আপনি অনেক ধরনের নির্যাতন-নিপীড়নের, মৌখিকভাবে অশালীন মন্তব্যের শিকার বা যৌন হয়রানির শিকার হতে পারেন। এক্ষেত্রে ভয় না পেয়ে দ্রুত দূতাবাসের শ্রমউইং-এ অভিযোগ করবেন।
গৃহকর্মী বা কেয়ারগিভার পেশায় বা গার্মেন্টস কর্মী বা ক্যাশিয়ারের কাজ করতে গেলে সময়মত বেতন হাতে না পাওয়া বা দীর্ঘদিন বেতন না পাওয়া এধরনের সমস্যায় পড়তে পারেন সে ক্ষেত্রে কোন ধরনের ভয় বা কুণ্ঠাবোধ না করে অবশ্যই দ্রুত দূতাবাসের শ্রম উইং-এ অভিযোগ করবেন।
মনে রাখবেন একজন নারীকর্মী হিসেবে কাজ করলেও আপনার অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা কোনদিক থেকেই একজন পুরুষকর্মী থেকে কম নয় এবং আইনগতভাবে আপনি সকল ধরনের সহায়তা দূতাবাস ও তাদের শ্রম উইং থেকে পাবেন।
তাই নারীকর্মী হিসেবে নিজের মনোবল শক্ত রাখবেন ও আত্মবিশ্বাস বজায় রাখতে ভুলবেন না।
আপনি দুর্বল এটা কাউকে বুঝতে দেবেন না যাতে কেউ যেন আপনার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে আপনার কোন ক্ষতি করতে না পারে।

গৃহকর্মী পেশায় কাজের ক্ষেত্রে আপনার আচরণ কেমন হবে জেনে নিন

কর্মস্থলে আপনার পেশাগত আচরণ কেমন হবে তা বিভিন্ন পেশা অনুসারে নিম্নে বর্ণনা করা হল:
গৃহমালিকের আদেশ-নির্দেশ সঠিকভাবে বুঝে নিন;
কোন সমস্যায় পড়লে সেটা গোপন না করে সরাসরি গৃহমালিককে বুঝিয়ে বলুন;
ধৈর্য ধারণ করে, ভদ্র হয়ে বিনয়ের কথা বলুন;
মিথ্যার আশ্রয় না নিয়ে দ্রুত বিশ্বস্ততা অর্জন করুন;
কারও সাথে চিৎকার করে কথা বলা থেকে বিরত থাকুন;
কারও প্রতি আঙ্গুল নির্দেশ করা থেকে বিরত থাকুন;
সবার সাথে স্যার-ম্যাডাম বলে সম্বোধন করুন;
সবসময় হাসি-খুশি থাকুন;
কারও ঘরে প্রবেশ করার আগে অনুমতি নিন;
টেলিফোন ও মোবাইলে স্যার বা ম্যাডাম সম্বোধন করে সংক্ষেপে কথা বলুন;
শিশুদের সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করুন;
পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে সুসম্পর্ক ও পারস্পারিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলুন;
হাই তোলার সময় মুখে হাত দিন।

বিশেষ করে লক্ষ্য রাখতে হবে
ব্যক্তিগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা খুবই জরুরি;
বাড়ীর জন্য মনখারাপ হলে কান্নাকাটি করা যাবে না;
প্রয়োজনে বাথরুমে গিয়ে কেঁদে হালকা হতে হবে;
রান্নার সময় চুল বেঁধে রাখতে হবে ও এপ্রোন পড়তে হবে;
পান খাওয়া যাবে না;
মাথায় তেল দেয়া এবং ঠোটে লিপস্টিক দেয়া যাবে না;
কাজ শেষে প্রত্যেকটি যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করে রাখতে হবে;
কোন কিছু চুরি করা যাবে না;
কাপড় ধোয়ার সময় সাদা ও রঙিন কাপড় আলাদাভাবে ধুতে হবে;
কাজসমূহের প্রাধান্য নির্ধারণ করে প্রত্যেক দিনের কাজের তালিকা সম্পন্ন করার সময়সহ তৈরি করুন। সময়মত কাজগুলো শেষ করার চেষ্টা করুন;
একজন সেবাকর্মী হিসেবে আপনার রোগী বা সেবাগ্রহীতার যেকোন জরুরি অবস্থার নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য নিজের আত্মবিশ্বাস ও মনোবলসহ প্রস্তুত থাকুন;
ফার্ষ্ট এইড সেবা পদ্ধতি সবসময় মনে রাখুন ও দায়িত্ব পালনকালে হাতের কাছে সবসময় ফার্ষ্ট এইড বই ও কিট রাখবেন;
সবসময় সেবাগ্রহীতার পছন্দ-অপছন্দের প্রাধান্য দিন;
ধৈর্য ধরে খুব শান্তভাবে সবসময় সেবাগ্রহতিার নির্দেশ শুনুন;

 

Visa Success on Poland Work Permit

, ,

Check-out our recent Poland Work Permit Visa

poland-work-permit-visa-schengen-visa-apply-contract-sure-visa-apply-from-dhaka-bangladesh-flyyeer-travel-agency-1poland-work-permit-visa-schengen-visa-apply-contract-sure-visa-apply-from-dhaka-bangladesh-flyyeer-travel-agency-2poland-work-permit-visa-schengen-visa-apply-contract-sure-visa-apply-from-dhaka-bangladesh-flyyeer-travel-agency-3poland-work-permit-visa-schengen-visa-apply-contract-sure-visa-apply-from-dhaka-bangladesh-flyyeer-travel-agency-4poland-work-permit-visa-schengen-visa-apply-contract-sure-visa-apply-from-dhaka-bangladesh-flyyeer-travel-agency-5poland-work-permit-visa-schengen-visa-apply-contract-sure-visa-apply-from-dhaka-bangladesh-flyyeer-travel-agency-6poland-work-permit-visa-schengen-visa-apply-contract-sure-visa-apply-from-dhaka-bangladesh-flyyeer-travel-agency-7

Country: Poland

Type: Work Permit

Nationality: Bangladeshi

Application Details: www.flyyeer.com

Poland Work Permit Visa (Hot Offer)

Pages

POLAND WORK PERMIT VISA – Hot Offer !!!  100% Success পোল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ২০১৮

, , , , , ,

POLAND WORK PERMIT VISA – Hot Offer !!!

পোল্যান্ড ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ২০১৮ – 100% Success*

🚥 #পোল্যান্ড #ওয়ার্ক_পারমিট_ভিসা ✈

🎯 ভিসা গ্যারান্টি: 100% সফল! 🚩

💲 নো ভিসা – নো ফিস 💲

(ভিসা না হলে আমরা কোন ফিস নেই না)

#যোগ্যতা_যা_যা_প্রয়োজন

☑ কমপক্ষে এস,এস,সি পাশ

☑ বয়স ২২-৪৫ বছর

☑ পাসপোর্ট-এর মেয়াদ ১.৫/২ বছর থাকতে হবে

☑ ভিসা প্রাপ্তির পরে, পোল্যান্ড-এ গিয়ে শুরুতে নির্ধারিত কোম্পানি-তে কমপক্ষে ৬ মাস অবশ্যই কাজ করতে হবে। ৬ মাস পরে আপনি কাজ/কোম্পানি পরিবর্তন করতে পারবেন অথবা অন্য যেকোন সেঞ্জেনভুক্ত দেশে ভ্রমন/সেটেল হতে পারবেন।

সময়

🔔 ০৩-৩.৫ মাস (সময়কাল- সাধারণত যা কোম্পানির ওয়ার্ক পারমিট ও পোল্যান্ড দূতাবাস-এর অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রাপ্তির উপর নির্ভর করে কম/বেশি হতে পারে)

কাজের_ধরন

🔖 সাধারণ কর্মী

🔖 সেলাই অপারেটর

🔖 নির্মাণ

🔖 হোটেল বয়

🔖 অন্যান্য

JOB OVERVIEW

Gender: Male / Female

No of workers: 5-30

Duration: 1 year

Here are general terms and conditions for these job opportunities:

 

Term and Conditions: 

  1. Contract Period: 1-year + renewable
  2. Working hours and day: 8 Hrs per day and 6 days a week.
  3. Employment Visa: Provided at the cost of the company.
  4. Food: Provided by the employees/self (may differ from company to company).
  5. Accommodation: Provided by the company/self (may differ from company to company).
  6. Over Time: As per Poland and Schengen the labor law.
  7. Uniform: Provided by the company.
  8. Medical/Insurance: Provided by the company.
  9. If any other benefits: In the accordance with the labor laws of Poland.
  10. Service Charge: Not Provided by the company.
  11. The return ticket will be provided by the company after finishing contract period.

বেতন

💵 ৬০,০০০-৭০,০০০ টাকা (৩,০০০-৩,৫০০ PLN) – বেসিক ৮ ঘণ্টা; ওভারটাইম আলোচনা সাপেক্ষে

পেমেন্ট

💲 সর্বমোট 10 লক্ষ টাকা

* অন্তর্ভুক্ত আছে = ওয়ার্ক পারমিট, ভিসা, সার্ভিস চার্জ, ইনসিওরেন্স, এম্বাসি ফি

* অন্তর্ভুক্ত নয় = পোল্যান্ড-এর এয়ার টিকেট; ইন্ডিয়া ভ্রমণকালে এয়ার/বাস/ট্রেন টিকেট; হোটেল ও খাওয়ার বিল এবং সম্পৃক্ত খরচাদি; ট্রেনিং ফিস

টাকা_প্রদানের_ধাপ

💲 ০১ লক্ষ টাকা (গ্যারান্টি বাবদ অগ্রিম বাবদ পাসপোর্ট জমা দেয়ার সময়ে আমাদের অফিসে লিখিত চুক্তির মাধ্যমে জমা দিতে হবে। ভিসা না হলে ১০০% অর্থ ফেরত যোগ্য)

💲 ০৯ লক্ষ টাকা ( যা আবেদনকারী পোল্যান্ড,দিল্লী এম্বাসি হতে ভিসা প্রাপ্তির পরে অবশ্যই আমাদেরকে ০৩ ঘন্টার মধ্যে  বাংলাদেশ/দিল্লী-তে নগদে পরিশোধ করতে হবে)

*** বিশেষভাবে_লক্ষ্যণীয় **

নিয়ম অনুযায়ী পোল্যান্ড,দিল্লী এম্বাসিতে আবেদনকারী “ডি” ভিসার জন্য নিজে ভিসার আবেদনপত্র জমা দেয়া বাধ্যতামূলক, তাই আবেদনকারীকে দিল্লী এম্বাসিতে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে, ভিসার আবেদনপত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এম্বাসিতে জমা করবে। অতঃপর আবেদনকারী নিজে ৩-১৪ দিন পরে ভিসাসহ পাসপোর্ট এম্বাসি হতে ডেলিভারি নিবে। ডেলিভারির ক্ষেত্রে আবেদনকারী নিজে অথবা তার মনোনীত বেক্তি “ভিসা এপ্লিকেশন টোকেন”-টি এম্বাসিতে জমা দিয়ে ভিসাসহ পাসপোর্ট এম্বাসি হতে ডেলিভারি নিতে পারবে।

 

*** #পোল্যান্ড_ওয়ার্ক_ভিসার_সুবিধা?

।। স্বাধীনভাবে ইউরোপ/সেঞ্জেন-এর ২৮টি দেশে অন্য কোন ভিসা ছাড়া ভ্রমন করতে থাকুন, বছরের যে কোন সময়ে, যে কোন দিন

।। নিশ্চিত কর্মসংস্থান ও নিশ্চিতভাবে নিয়মিত বেতন পাওয়ার গ্যারান্টি

।। পোল্যান্ড-এ রয়েছে প্রচুর কর্মীর প্রয়োজনীয়তা, তাই সরকারি উদ্যোগে ঝামেলামুক্ত ও সহজে ভিসা রিনিউ করুন।

।। পোল্যান্ড-এর অর্থনীতিতে জীবন নির্বাহের খরচ অন্য সকল দেশের তুলনায় আশ্চর্য রকমভাবে কম। এত কম খরচে ইউরোপীয় জীবনের মান!!! যা আসলে বিশ্বাস করার মত নয়।

।। ধাপে ধাপে পরিবারসহ স্থায়ীভাবে পোল্যান্ড-এ বসবাস করতে এবং অন্যান্য জাতীয় সুযোগ-সুবিধা পেতে পোল্যান্ড এর মত আর কেউ নেই। সময় ২-৩ বছর। তাই তো বলি, এ এক সুবর্ণ সুযোগ… আজই আবেদন করুন!

আবেদন_শুরু_করতে_হলে

(১) অরিজিনাল পাসপোর্ট

(২) ছবি

(৩) অরিজিনাল এস,এস,সি (সার্টিফিকেট+মার্কশিট)

(৪) অগ্রিম টাকা

(৫) ব্যাংক গ্যারান্টি চেক সহ

আবেদনকারী নিজে এবং তার অভিভাবক তথা পেমেন্ট গ্যারান্টি প্রদানকারী(পরিচয়পত্রসহ) আমাদের অফিস-এ উল্লেখিত ডকুমেন্টস জমা দিন।

যোগাযোগ

বিস্তারিত জানতে আপনি এবং আপনার অভিভাবক অফিস-এ আসুন। ফোন-এ বিস্তারিত ইনফর্মেশন দেয়া হয় না।

> কল করুন

📞 01712-779277

📞 01972-779277

📞 01622-775577

> ইমেইল করুন

📞 imcbd666@gmail.com

শুভেচ্ছান্তে,

Chishty

🌍 আরও তথ্য : www.flyyeer.com

 

VISA GUARANTEED

See Our Recent Poland Work Permit Visa Success –
https://www.facebook.com/media/set/?set=a.2032358027040073.1073741830.1883911735218037&type=1&l=ccd0076d84

See our Facebook Page Post :

https://www.facebook.com/notes/flyyeercom/-পোল্যান্ড-ওয়ার্ক-পারমিট-ভিসা-poland-work-permit-visa-/1667535656603211/

#Poland_Visa #Poland_Work_Permit_Visa #Poland_Job

#Poland_Student_Visa #Dhaka #Schengen_Visa #Bangladesh #Embassy_Contact #Sure_Visa #Poland_Embassy_New_Delhi

#Poland_Visa #Poland_Work_Permit_Visa #Poland_Job

#Poland_Student_Visa #Dhaka #Schengen_Visa #Bangladesh #Embassy_Contact #Sure_Visa #Poland_Embassy_New_Delhi

#Poland_Visa #Poland_Work_Permit_Visa #Poland_Job

#Poland_Student_Visa #Dhaka #Schengen_Visa #Bangladesh #Embassy_Contact #Sure_Visa #Poland_Embassy_New_Delhi

#Poland_Visa #Poland_Work_Permit_Visa #Poland_Job

#Poland_Student_Visa #Dhaka #Schengen_Visa #Bangladesh #Embassy_Contact #Sure_Visa #Poland_Embassy_New_Delhi

#Poland_Visa #Poland_Work_Permit_Visa #Poland_Job

#Poland_Student_Visa #Dhaka #Schengen_Visa #Bangladesh #Embassy_Contact #Sure_Visa #Poland_Embassy_New_Delhi

Poland Visa, Poland Work Permit Visa, Poland Job

Poland Student Visa, Dhaka, Schengen Visa, Bangladesh, Embassy Contact, Sure Visa, Poland Embassy New DelhiPoland-Work-Permit-Visa-Dhaka-Bangladesh-Call-01712779277-facebook-google-linkedin-twitter

German Visa

, ,

A Complete Guide to Germany Visa Requirements

Germany is one country in Europe that attracts a lot of visitors because of its rich cultural heritage, art and beautiful landscapes. Berlin and Munich are two of its most popular cities among tourists. And, why not? The country has so much to offer for all kinds of travellers! Germany is also a part of the Schengen region of Europe and thus require tourists to apply for a Schengen visa at the German embassy. In order to do that, you need to be aware of the Germany visa requirements and comply with them to ensure visa approval. In this article, we will share with you all that you need to do to fulfil Germany visa requirements and sail through the visa application process smoothly.

The Schengen visa allows barrier-free entry into all its 26 member states, which also includes Germany. This one visa enables a tourist to have access to all these countries without having to go through repeated checks while crossing borders within this region or having to get multiple visas for each country. This makes the Schengen visa one of the most sought after and lucrative visas globally.

However, you need to decide which country’s embassy you need to apply to, based on your travel plans and the point of entry and exit. So if you are planning to spend a considerable amount of time in Germany and just a couple of days in France, the embassy you should be applying to for a visa, is the German embassy. In that case, you need to know exactly how to go about it and what the German visa requirements are.

TYPES OF GERMAN VISAS:

There are typically 10 different kinds of visas the German embassy can issue to visitors.

  • Schengen Visa (Tourist, Visit)
  • Studying & Language Learning Visa
  • Job Seeker Visa
  • Business Visa
  • Airport Transit Visa
  • Working Visa
  • Guest Scientist Visa
  • Training/Internship Visa
  • Medical Treatment Visa
  • Trade Fair & Exhibitions Visa

Then Schengen visa is just one out of this list but is widely popular because of its appeal to tourists wanting to visit Europe. In this article we will focus on the requirements you need to fulfill in order to get a Schengen visa to travel to Germany.

WHAT ARE THE KEY GERMANY VISA REQUIREMENTS?

As part of the Schengen countries of Europe, here is a list of documents that need to be submitted in order for you to meet the Germany visa requirements.

  1. Passport – This is the obvious one! You need to hold a valid passport to be able to apply to the German embassy for a visa. Not only that, the passport needs to be valid for at least 6 months from when you send in your application. So even if you have a valid passport, if it is about to expire in the next 3 months, it will not be accepted by the embassy.
  2. Photos – 2 passport-sized photos need to be submitted as part of Germany visa requirements. The photos need to be clear and taken in well-lit conditions.
  3. Proof of accommodation – When applying for the visa, one of the documents that needs to be submitted is a proof of accommodation. It needs to show that you have either booked your own accommodation in Germany or have someone sponsoring your stay. This is one of the key components of the Germany visa requirements.
  4. Proof of transportation – This refers to documents showing proof of your confirmed air tickets, showing your travel dates and duration. It is basically an itinerary of your travel plans in Germany. This is another key component of the Germany visa requirements as outlined by the embassy.
  5. Travel health insurance – This includes valid and suitable health insurance plan covering the total number of days you will be staying in Germany
    Bank statement – A document from your bank showing your monthly transactions for the past 3 months
  6. No objection letter – This letter is required to validate your current status and assure the embassy that your have permission to travel. A no objection letter is typically obtained from your employer or school authorities.

The Germany visa requirements seem fairly straightforward at first glance. However, if you think carefully, you will notice that the proof of accommodation and proof of transportation are not that easy to show after all! This is because of a few reasons. In order to show these proofs, you need to purchase your air tickets and book your hotel rooms before initiating the visa application process. This can turn out to be a major issue later in case your visa does not get approved for any reason or the approval process takes longer than expected. If you don’t receive your visa on time to travel on the planned dates, both your flight tickets and hotel bookings go to waste.

Some airlines and hotels may provide a refund, but in most cases a huge chunk of money is lost as cancellation fees. And sometimes, if you do not cancel your reservations before a certain number of days, you may not even get any refund. This is an unwanted situation to be in, especially when you just wanted to plan a trip to Germany and enjoy your holidays.

With a little bit of planning, this situation can be avoided. In the next section, we tell you how!

FLIGHT RESERVATION AND HOTEL RESERVATION FOR GERMANY VISA REQUIREMENTS:

To help you fulfil Germany visa requirements and also avoid unnecessary loss of money due to cancellations, there is something known as flight reservation for visa and hotel reservation for visa application. A flight reservation for visa is simply a proposed flight itinerary that you can obtain from a verified travel agency, as opposed to purchasing a flight ticket from an airlines. These itineraries are like confirmed bookings and come with a unique reservation ID, but without having to pay for the tickets upfront. This eliminates the risk associated with purchase of flight tickets before having an approved visa in hand. In this case, once your visa is approved, you can go ahead and confirm the flight reservation by paying for the tickets.

In case your visa gets rejected, you still have the option to cancel the reservation without incurring any financial loss! The same strategy applies to hotel reservations. Instead of booking hotel rooms in advance without knowing when your Germany visa will come through, opt for a hotel reservation for visa application that can be cancelled or postponed at any point if your visa does not get approved. This provides you with a lot of flexibility as well as peace of mind to know that there is no risk of losing money! If you are interested in knowing more about these services, read our articles on flight reservation and hotel reservation for a step-by-step guide.

If you have been planning to arrange for all these documents or need any other assistance to fulfil the Germany visa requirements, reach out to us via our contact us page. Our team of experts have years of experience in handling these issues and will ensure that you have a smooth sail through the visa process!

GERMAN EMBASYY GUIDELINE

General information:
– All applicants are advised to take an online appointment prior to applying for their visa (www.dhaka.diplo.de/visa)
– Personal appearance at the German Embassy for submitting an application is mandatory.
– Minors have to be accompanied by their legal guardians (mainly the father) or if the father lives abroad, any authorised person (proof of written authorisation with Photo ID by the father attested by a German notary public)
– The time to process a Schengen visa application will require a minimum of seven days. However, in case an additional personal interview or additional supporting documents are necessary, the visa process might take up few days more.
– The visa application form form is available via: www.dhaka.diplo.de/visa.
The applicant has to date and sign the printout.

Link for Videx: https://videx.diplo.de

Information for Non-Bangladeshi applicants who have valid residence status in Bangladesh:

An application can only be filed in case you have a valid Bangladeshi Residence Permit with at least three months validity after the date of departure from the territory of the Member States.

Collection time for visa: Sunday – Thursday: 2.00 p.m.

 

General requirements irrespective of the purpose of travel:

  • valid passport (issued within the last 10 years and with at least 3 months validity after the scheduled return) with at least two empty pages
  • one Schengen Visa Application Form (all questions have to be answered)
    together with Declaration on True and Complete Information
  • two recent biometrical colour photographs, requirements are given here: www.dhaka.diplo.de/visa
  • one copy of your passport’s data page including each previous Schengen-, Asia-UK- or USA-Visa (if travelled) (A4 size copy)
  • copy of the roundtrip airline reservation with passenger registration number or reservation number together with your travel itinerary. If relevant, entry permits for the next destination/s of the trip
  • certificate of leave letter from your company (if employed)
  • No objection certificate from school or university (if student)
  • personal bank statements, credit card statements of balance covering the last six months complemented by any other proof of financial solvency. (only originals are accepted)
  • documents related to civil status:
    – Marriage Certificate – if married
    – Divorce certificate (“talak namah”) – if divorced
    – Death Certificate – in case you are a widow or widower
    – Birth Certificate of your children – if you have children –
  • travel health insurance policy (valid for all Schengen countries covering medical expenses of at least 30,000/- €, see www.dhaka.diplo.de/visa for recognized insurers in Bangladesh)

 

Download Complete Checklist : Here

চাকুরির জন্য বিদেশে যাওয়ার আগে করণীয়

, , , , , ,

পাসপোর্ট করুন

পাসপোর্ট হল বিদেশে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকার থেকে দেয়া একটি পরিচয়পত্র। পাসপোর্ট ছাড়া আপনি কখনও বিদেশে যেতে পারবেন না। পাসপোর্টের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার আপনাকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়। তবে যারা নতুন পাসপোর্ট করবেন বা পাসপোর্ট সংশোধন করবেন বা নবায়ন করবেন তারা অবশ্যই মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করবেন। এখানে উল্লেখ্য যে, ২০১২ সালের পর থেকে হাতে লেখা পাসপোর্ট কোথাও গ্রহণ করবে না। তাই যাদের কাছে হাতে লেখা পাসপোর্ট রয়েছে তারা মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করার জন্য এখনই উদ্যেগ নিন। যারা বিদেশে রয়েছেন তারা ২০১৪ সালের মধ্যে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রত্যেকটি দূতাবাসের মাধ্যমে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করাতে পারবেন। পাসপোর্ট তৈরির পুরো প্রক্রিয়াটি জানতে বিস্তারিত জানুন বাটনে ক্লিক করুন। এছাড়া পরের পৃষ্ঠায় উল্লিখিত লিংকগুলোতে ক্লিক করলে পাসপোর্ট ফর্ম পূরণের প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলী সহজভাবে বুঝতে পারবেন।

http://www.dip.gov.bd/?q=node/55-এ লিংকে পাসপোর্ট তৈরির জন্য যে ফর্মটি পূরণ করতে হয়, তা দেয়া আছে এবং এটি আপনি প্রিন্ট করে আপনার সকল তথ্য হাতে লিখে সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা করতে পারবেন।
এমআরপি’র জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে পূরণকৃত পিডিএফ ফর্মের নমুনা এখানে আপনার বোঝার সুবিধার জন্য উদাহরণস্বরূপ নাসরিন আক্তার নামের একজন ব্যক্তির তথ্য দিয়ে ফর্মটি পূরণ করা হয়েছে।
এমআরপি’র জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে পূরণকৃত অন-লাইন ফর্মের নমুনা এখানে আপনার বোঝার সুবিধার জন্য উদাহরণস্বরূপ নাসরিন আক্তার নামের একজন ব্যক্তির তথ্য দিয়ে ফর্মটি পূরণ করা হয়েছে।
পাসপোর্ট ফর্ম পূরণের নির্দেশাবলী-এ লিংকে পাসপোর্ট ফর্মের কোন তথ্য কোন স্থানে লিখতে হবে তা একটি ফর্মের মধ্যে নির্দেশনাকারে দেখানো হয়েছে। তবে এ নির্দেশনাগুলো শুধুমাত্র দেখার জন্য।
পাসপোর্ট অফিসগুলোর নাম ও ঠিকানা-এ লিংকে ক্লিক করলে সমগ্র বাংলাদেশের পাসপোর্ট প্রদানকারী বিভাগীয় ও আঞ্চলিক অফিসগুলোর নাম ও ঠিকানা দেখতে পাবেন। আপনার সুবিধা অনুযায়ী কোন অফিস থেকে পাসপোর্ট তৈরি করবেন তা নির্ধারণ করে নিন।

বিদেশে চাকুরির ব্যবস্থা করুন

 

বিদেশে কর্মজীবি হিসেবে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিদেশে চাকুরি খোঁজার জন্য কয়েকটি উপায় রয়েছে যথা:

বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশ গমন করতে পারেন। বর্তমানে বাংলাদেশে ৮৪৯টি বৈধ এজেন্সি রয়েছে। একটি লিংক দেয়া হল, এতে ক্লিক করলে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটি ওয়েবাসইটের বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির সর্বশেষ তালিকাটি দেখতে পাবেন:http://www.bmet.gov.bd/BMET/raHomeAction
এ লিংকে ক্লিক করলে বিদেশে কর্মী প্রেরণকারী যেকোন রিক্রুটিং এজেন্সির বৈধতা পরীক্ষা করা যায়। এখানে সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সির নাম, লাইসেন্স নম্বর অথবা মালিকের নম্বর দিয়ে সার্চ করার ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া এতে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা, স্থগিত ও বাতিলকৃত রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর তালিকাও দেখা যায়।

শুধুমাত্র নারীকর্মী বিদেশে প্রেরণকারী এজেন্সির সহায়তা নেয়ার মাধ্যমে বিদেশ গমন করতে পারেন। এখানে একটি লিংক দেয়া হল যেখানে ক্লিক করলে নারীকর্মী প্রেরণকারী এজেন্সিগুলোর নাম ঠিকানা পাওয়া যাবে। লিংকটি হল বাংলাদেশ থেকে নারীকর্মী প্রেরণকারী বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিসমূহের ঠিকানা। এ তালিকাটি জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটি অফিস ভবনের এক্সটেনশন বিল্ডিং-এর দোতালায় অবস্থিত নারী অভিবাসী তথ্য কেন্দ্রে পাবেন। এছাড়া বিএমইটি অফিসের মূল ভবনের পাঁচতলায় অবস্থিত কর্মসংস্থান শাখায় বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির সর্বশেষ তালিকাটি পাওয়া যায়। চাকুরি খোঁজার জন্য সহায়তা নেয়ার আগে যেকোনো এজেন্সিতে যোগাযোগ করার সময় অবশ্যই তাদের নাম ঠিকানা ও লাইসেন্স নম্বর বিএমইটির অফিস থেকে প্রাপ্ত বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির সর্বশেষ তালিকায় আছে কিনা তা নিজ দায়িত্বে পরীক্ষা করে নেবেন।
আপনার এলাকার সংশ্লিষ্ট জেলা ডিসি অফিসে বিদেশগমনেচ্ছু কর্মীর তালিকায় নাম লেখার মাধ্যমে কর্মী হিসেবে সরকারিভাবে বিদেশ গমন করতে পারেন।

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বোয়েসেল-এর মাধ্যমে বিদেশ গমন করতে পারেন। বোয়েসেল’র সাথে যোগাযোগের ঠিকানা তাদের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। বোয়েসেলের ওয়েবসাইটের লিংকটি হল: http://www.boesl.org.bd/ 
এছাড়া বিদেশে অবস্থানরত আপরনার আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব দ্বারা ভিসাপত্র সংগ্রহ করার মাধ্যমে বিদেশ গমন করতে পারেন।
বিদেশে বাংলাদেশি কোন কোম্পানীর মাধ্যমে বিদেশ গমন করতে পারেন।
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটির মাধ্যমে বিদেশ গমন করতে পারেন। বাংলাদেশ থেকে সম্পূর্ণ সরকারি পর্যায়ে কোন দেশের সাথে কর্মী প্রেরণের চুক্তি হলে বিএমইটি’র মাধ্যমে বিদেশ গমন করা যায়।
উল্লেখ্য যে, বর্তমানে বিদেশে কর্মজীবি হওয়ার জন্য বাংলাদেশে বৈধ প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা রয়েছে ফলে বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে কেনো প্রতারক দালালের সহায়তা নেয়ার প্রয়োজন নেই। “আপনাকে কিছু করতে হবে না আমি সব করে দেব” এই ধরনের কোনো প্রলোভনে বিশ্বাস করবেন না বা বিশ্বাস করে বিদেশে চাকুরি পাবার আশায় কাউকে টাকা দেবেন না। উল্লেখ্য যে, এ ধরনের প্রলোভন শুধুমাত্র দালাল বা মধ্যসত্বভোগীরাই দিয়ে থাকে। কারণ কর্মজীবি হিসেবে বিদেশ গমনের প্রস্তুতি গ্রহণ প্রক্রিয়া ঘরে বসে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। এ প্রক্রিয়ার অনেক ধাপেই প্রার্থীকে অর্থাৎ আপনার সম্পৃক্ত থাকা জরুরি।

ভিসা সংগ্রহ ও যাচাই করুন

আপনি যে মাধ্যমে (বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি, বোয়েসেল বা বিএমইটি) বিদেশে চাকুরির ব্যবস্থা করছেন তারা আপনার জন্য কাজের ভিসা সংগ্রহ করে দেবে। এক্ষেত্রে আপনার জন্য নির্দেশনা হল ভিসার আবেদনের পর নিজ দায়িত্বে ভিসার ব্যাপারে রিক্রুটিং এজেন্সির সাথে সবসময় যোগাযোগ রাখবেন।
ভিসা হাতে পাবার পর ভিসা চেকিং করা একটি জরুরি বিষয়। আপনার ভিসাটি সঠিক কিনা তা যাচাই করাকেই বলে ভিসা চেকিং বা পরীক্ষা করা। ভিসা চেকিং (ভিসা সঠিক কিনা তা যাচাই) বা পরীক্ষার জন্য আপনাকে ঢাকায় অবস্থিত জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটি অফিসের ওয়ানস্টপ সার্ভিস ডেস্ক-এর সহায়তা নিতে হবে। আপনি সঠিক ভিসায় কর্মী হিসেবে বিদেশে যাচ্ছেন কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য ভিসা চেকিং বা পরীক্ষা করা খুব প্রয়োজনীয় একটি ধাপ।

কুইক ডেলিভারি সার্ভিস ডেস্ক
বিএমইটি অফিস বিল্ডিং (নিচতলা)
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)
৮৯/২, কাকরাইল
ঢাকা-১০০০

ভিসা সংগ্রহ ও যাচাই করুন

তবে ইন্টারনেটের সাহায্যে কয়েকটি দেশের ভিসা চেকিং আপনি নিজেই করতে পারবেন। আপনার এলাকার বা তার কাছাকাছি যে কোন ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র, পল্লীতথ্য কেন্দ্র বা ইন্টারনেট সংযোগ আছে এমন কোন সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে তথ্যকর্মীর সহায়তা নিয়ে ভিসা চেকিং করতে পারেন। নিম্নে কয়েকটি দেশের শ্রম মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের ঠিকানা দেয়া হল যেগুলোর সাহায্যে অন-লাইনের মাধ্যমে আপনি নিজের ভিসা নিজে চেকিং করতে পারবেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউ.এ.ই)-এর ভিসা চেক করার ঠিকানাটি হল: http://www.mol.gov.ae
কাতার-এর ভিসা চেকিং ঠিকানাটি হল: http://www.moi.gov.qa
বাহরাইন-এর ভিসা চেকিং ঠিকানাটি হল http://www.imra.gov.bh

চাকুরির চুক্তিপত্র বুঝে নিন

কর্মজীবি হয়ে বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে চাকুরির চুক্তিপত্র হাতে পাওয়ার পর তা আসল কিনা তা পরীক্ষা করিয়ে নেয়া এবং এতে উল্লেখিত সকল বেতন-ভাতা, অন্যান্য শর্ত ও সুবিধাদি বুঝে নিয়ে স্বাক্ষর করা বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে একটি প্রয়োজনীয় ধাপ। চুক্তিপত্র ছাড়া কোন চাকুরি করলে নিয়োগকর্তা আপনার সাথে নিয়মের বাহিরে কাজ করাতে চাইলে কোন আইননুগ ব্যবস্থা নেয়া যায় না বিধায় যেকোনো চাকুরিতে যোগদানের ক্ষেত্রে চুক্তিপত্র বুঝে নিয়ে স্বাক্ষর করা খুবই জরুরি। আপনি যে রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে চাকুরির আবেদন করেছেন তারাই আপনাকে চাকুরির চুক্তিপত্র হাতে পাবার ব্যবস্থা করে দেবে। তবে আপনি যদি কোন বন্ধু বা পরিচিত কেউ বা আত্মীয়ের মাধ্যমে চাকুরির ব্যবস্থা করে থাকেন তাহলে সে ব্যক্তির কাছ থেকে চুক্তিপত্র হাতে পাবেন।

ভিসা পেপারের মত চুক্তিপত্রও চেকিং (চুক্তিপত্র সঠিক কিনা তা যাচাই) করতে হয় ও সংশ্লিষ্ট দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস দ্বারা সত্যায়িত করতে হয়। আপনি যে রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে চাকুরি পাবেন তারাই আপনাকে চুক্তিপত্র সত্যায়িত করার ব্যবস্থা করে দেবে। ঢাকায় অবস্থিত জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটি অফিসের ওয়ানস্টপ সার্ভিস ডেস্ক থেকে চুক্তিপত্র চেকিং-এর সেবা বিনা খরচে দেয়া হয়। এছাড়া এ সেবা পাবার জন্য ‘বায়রা’ (বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সি) অফিসেও যোগাযোগ করতে পারেন।

ব্যাংক একাউন্ট খুলুন

দেশে বৈধভাবে টাকা পাঠানোর এবং অর্জিত টাকা সঠিকভাবে সঞ্চয় করার জন্য কর্মজীবি হিসেবে দেশ ছাড়ার আগে আপনাকে ব্যাংক একাউন্ট খুলতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি দুটি ব্যাংক একাউন্ট খুলবেন। একটি একাউন্ট যৌথ নামে অর্থাৎ আপনি এবং আপনার পরিবারের বিশ্বস্ত সদস্যের নামে। এ যৌথ একাউন্টে আপনি শুধু আপনার পরিবারের লালন-পালনের খরচ বা তার থেকে সামান্য বেশি অর্থটুকুই পাঠাবেন। আর একটি একাউন্ট খুলবেন নিজের নামে। আপনি বিদেশে কাজ করে উপার্জিত অর্থ থেকে আপনার পরিবার পরিচালনা ব্যয় প্রেরণের পর ও বিদেশে আপনার জীবনের ব্যয়ভার পরিচালনার পর যদি আপনার কাছে কোন বাড়তি অর্থ থাকে তাহলে সেটা আপনি আপনার নিজের নামে একাউন্টে পাঠিয়ে দেবেন। এখানে বলে রাখা ভাল যে একক একাউন্ট-এর কথা আপনি পরিবারের কাছে গোপন রাখবেন।

স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন

কর্মজীবি হিসেবে বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে বৈধ ভিসা পাবার জন্য কাজের দেশের দূতাবাস দ্বারা নির্ধরিত মেডিকেল সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা মেডিকেল টেস্ট করে নেয়া একটি জরুরি ধাপ ও এটি একটি বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া। কর্মী হিসেবে বিদেশে যেতে হলে ভিসা ও চুক্তিপত্র পাবার জন্য অন্যান্য কাগজপত্রের সাথে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফলাফলের কাগজ জমা করতে হয়। উল্লেখ্য যে, বিদেশ গমন প্রস্তুতি শেষে পাসপোর্ট, ভিসা ও চাকুরির চুক্তিপত্র হাতে পাওয়ার পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হয়। নিয়োগকারী দেশ অর্থাৎ আপনি যে দেশে কাজ করতে যাচ্ছেন সে দেশের স্ব-স্ব দূতাবাস কর্তৃক নির্ধারিত মেডিকেল সেন্টারের মাধ্যমে মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়। এছাড়া আপনি আপনার স্থানীয় এলাকার থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকেও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ফলাফল সনদ সংগ্রহ করতে পারেন।

মেডিকেল সেন্টারে কুপন দেখিয়ে টাকা জমা করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবেন। পরীক্ষার ফলাফল কবে, কখন হাতে পাবন তা মেডিকেল সেন্টার থেকে জেনে নেবেন। আপনি যে দেশে কাজ করতে যাচ্ছেন সে দেশের দূতাবাসের গেটে গিয়ে কাজের ভিসা ও চুক্তিপত্র দেখিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার কুপন সংগ্রহ করা যায়। এছাড়া রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো সাধারণত বিদেশ গমনেচ্ছুদের কুপন সংগ্রহ করাসহ স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করে থাকে। স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে ২,১০০/- টাকা খরচ হয়। তবে এ খরচ বিদেশ গমনের জন্য নির্ধারিত ২০,০০০/- টাকা-এর মধ্যে অন্তর্ভূক্ত।
স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যে বিষয়গুলো দেখা হয়:
• সাধারণ শারীরিক পরীক্ষা;
• মলমূত্র পরীক্ষা;
• এক্স-রে পরীক্ষা;
• রক্ত পরীক্ষা : এইচএসবিএসজি, হেপাটাইটিস ‘এ’ ও ‘বি’, ভিডিআরএল (যৌনরোগ/সংক্রমন পরীক্ষা), এইচআইভি (এইডস-এর পরীক্ষা), টিউবারকিউলোসিস (যক্ষ্মার পরীক্ষা), ম্যালেরিয়া, লেপ্রোসি, মহিলাদের ক্ষেত্রে গর্ভবতী কিনা ইত্যাদি বিষয়ের পরীক্ষা করা হয়।

 

বিএমইটি’র ব্রিফিং-এ অংশগ্রহণ করুন

কর্মজীবি হিসেবে বিদেশ গমনের আগে ঢাকায় অবস্থিত জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটি অফিসে পরিচালিত ব্রিফিং সেশনে অংশগ্রহণ করা অবশ্য করণীয় কাজের মধ্যে একটি। এ ব্রিফিং সম্পন্ন না করলে বিএমইটি থেকে স্মার্ট কার্ড বা ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স কার্ড দেয়া হয় না। বিএমইটি অফিসে এক্সটেনশন বিল্ডিং-এ দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত ব্রিফিং সেন্টারে প্রতিদিন (ছুটির দিন ছাড়া) ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। ব্রিফিং শেষে ব্রিফিং রুম থেকে আপনার পাসপোর্টে ব্রিফিং সম্পন্ন হয়েছে মর্মে একটি সিল দেবে। স্মার্ট কার্ড তোলার সময় ব্রিফিং সিল সম্বলিত আপনার পাসপোর্টটি প্রয়োজন হবে।
বিএমইটি ব্রিফিং এর জন্য যেখানে যেতে হবে:

জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটি অফিস
এক্সটেনশন বিল্ডিং (দ্বিতীয় তলা)
৮৯/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০

স্মার্ট কার্ড বা ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স কার্ড করুন

কর্মজীবি হয়ে বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে আপনাকে বাধ্যতামূলকভাবে বিএমইটি থেকে বহির্গমন ছাড়পত্র সংগ্রহ করতে হবে। আপনি যে বাংলাদেশ থেকে কর্মী হিসেবে অন্য দেশে যাচ্ছেন তার আনুষ্ঠানিক সরকারি স্বীকৃতি হল এ বহির্গমন ছাড়পত্র বা ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স কার্ড। এটি এক ধরনের কম্পিউটার চিপ সংযুক্ত কার্ড। এতে একজন কর্মী হিসেবে আপনার যাবতীয় তথ্য যেমন: আপনার পাসপোর্টের তথ্য, আপনার আঙ্গুলের ছাপ, আপনি যে রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কাজ পেয়েছেন তাদের লাইসেন্স নম্বর ইত্যাদি দেয়া থাকে। স্মার্ট কার্ড তৈরি করতে হলে আপনাকে কী করতে হবে, কোথায় যেতে হবে, এবং কার সাথে যোগাযোগ করতে হবে ইত্যাদি বিষয়ে আরও জানতে বিস্তারিত জানুন বাটনে ক্লিক করুন। এছাড়া স্মার্ট কার্ড হাতে পাবার ক্ষেত্রে দুটি প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের নমুনা সম্বলিত লিংক নিম্নে দেয়া হল:
নমুনা অঙ্গীকারপত্র : এ লিংকে ক্লিক করলে একটি নমুনা অঙ্গীকারপত্র আপনার কম্পিউটারে ডাউনলোড হবে। এতে আপনার সব তথ্য কম্পোজ করে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প কাগজে প্রিন্ট নেয়ার পর, স্বাক্ষর করে সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা করতে পারেন।
নমুনা অনাপত্তিপত্র : এ লিংকে ক্লিক করলে একটি নমুনা অনাপত্তিপত্র আপনার কম্পিউটারে ডাউনলোড হবে। এতে আপনার সব তথ্য কম্পোজ করে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প কাগজে প্রিন্ট নেয়ার পর, স্বাক্ষর করে সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা করতে পারেন।
নমুনা দরখাস্ত (স্মার্ট কার্ডে ভুল সংশোধনের জন্য) : এ লিংকে ক্লিক করলে একটি নমুনা দরখাস্ত আপনার কম্পিউটারে ডাউনলোড হবে। এতে আপনার সব তথ্য কম্পোজ শেষে প্রিন্ট করে সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা করতে পারেন।

ব্যাগগুলো গুছিয়ে নিন
কর্মজীবি হিসেবে বিদেশ গমনের আগে আপনার ব্যাগগুলো গুছিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়ম আছে যা আইনগতভাবে মেনে চলতে হয়, মেন: আপনার ব্যাগে নিম্নলিখিত জিনিসগুলো নেয়া যাবে না :
 ব্লেড, ছুরি, কাঁচি বা যে কোনো ধরনের ধারালো জিনিস;
আগুন ধরে এমন জিনিস যেমন: লাইটার বা দিয়াশলাই;
নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য যেমন: গাঁজা, হেরোইন, ইয়াবা, ফেন্সিডিল ও মদের বোতল ইত্যাদি; মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, পোল্ট্রি জাতীয় বা রান্না করা খাবার যা অল্প সময়ের মধ্যে পচনশীল;
দুর্গন্ধ বের হয় এমন পদার্থ।

ব্যাগের সংখ্যা : বিদেশ গমনকালে আপনি দুটি ব্যাগ বহন করতে পারবেন। যেমন : প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বহনের জন্য হাত ব্যাগ ও জামা-কাপড় বহন করার জন্য বড় ব্যাগ। উল্লেখ্য যে হাত ব্যাগ ও বড় ব্যাগকে যথাক্রমে ক্যারি অন ব্যাগ ও চেক ইন ব্যাগ বলা হয়।
ব্যাগের ওজন : আপনার বহনকৃত ব্যাগুলোর ওজন হতে হবে একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে। যেমন : একজন যাত্রীর বহনকৃত হাত ব্যাগের ওজন হবে ৭ কেজি, বড় ব্যাগের ওজন হবে ২০ কেজি।
ব্যাগে নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসের তালিকা : আপনি যে সময়ের জন্য বিদেশে অবস্থান করবেন সে অনুযায়ী ও প্রয়োজন বিবেচনা করে আপনার ব্যক্তিগত জরুরি জিনিসগুলোর একটা তালিকা করে নেবেন।

বিমান ভ্রমণের সময় করণীয় জেনে নিন
প্রথমবার বিদেশ গমনকারী যাত্রী হিসেবে বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রে কিছু বিষয়ে জেনে নেয়া আপনার জন্য দরকারি একটি বিষয়। বিমান ভ্রমণের সময় প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সংক্ষেপে নিম্নে উল্লেখ করা হল :
 বোর্ডিং পাসে লেখা সিট নম্বরটি দেখে বিমানে আপনার আসন বা সিট খুঁজে নিয়ে বসুন এবং বিমান উড্ডয়নের সময় আপনার সিটের বেল্টটি বেঁধে নিন।
বিমানের ভিতরে ধূমপান করা, মোবাইল ফোনে কথা বলা ও রেডিও শোনা সম্পূর্ণ নিষেধ, তাই এগুলো থেকে বিরত থাকুন।
আপনার বিমানযাত্রার পরিবেশনকৃত খাবারের মূল্য টিকিটের মূল্যের অন্তর্ভূক্ত থাকায় এ খাবারের কোন মূল্য দিতে হয় না। তবে এর অতিরিক্ত চিপস, চকলেট, কোমল পানীয় বা খাবার পানির বোতল ইত্যাদির জন্য আপনাকে অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে হবে।
বিমানের ভেতর টয়লেট ব্যবহারের নিয়ম বিমানের সেবাদানকারী ব্যক্তির কাছে জেনে নিন।
বিমানের সেবাদানকারী ব্যক্তির সহায়তায় নিজ-এম্বারকেশন কার্ড ও কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ফর্ম পূরণ করে নিন, বিমান ভ্রমণে প্রয়োজনীয় সাধারণ কথাবার্তার ইংরেজি সংলাপগুলোর তালিকা– এ তালিকায় ইংরেজি সংলাপগুলো অর্থসহ বাংলা উচ্চারণে লেখা হয়েছে। সংলাপগুলো অনুশীলনের মাধ্যমে আপনাকে আয়ত্তে আনতে হবে।
আপনার বিমানযাত্রায় ট্রানজিট বা যাত্রা বিরতি থাকলে আপনাকে ট্রানজিট দেশের এয়ারপোর্টে নামতে হবে। ট্রানজিট সাধারণত সর্বনিম্ম এক ঘণ্টা থেকে একদিন হতে পারে।

 

বিদেশের এয়াপোর্ট অনুষ্ঠানিকতা কী হবে তা জেনে নিন

কাজের দেশের এয়ারপোর্টে অবতরণ করে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সঠিকভাবে সম্পন্ন করে গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর জন্য আপনাকে কিছু বিষয় জানতে হবে। বিদেশে বিমান বন্দরের আনুষ্ঠানিকতাগুলো নিম্নে সংক্ষেপে উল্লেখ করা হল :

বিমান থেকে নেমে বোর্ডিং ব্রিজ পার হয়ে ইমিগ্রেশন ডেস্কে গিয়ে আপনার পাসপোর্টটি, ভিসা এডভাইস পেপার, চাকুরির চুক্তিপত্র ও টিকিট দেখিয়ে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে নিন।
কনভেয়ার বেল্ট (এ বেল্টের মাধ্যমে মালামাল প্লেন থেকে নামানো হয়) থেকে আপনার নিজের ব্যাগটি সংগ্রহ করুন। এক্ষেত্রে আপনার টিকিটে উল্লেখিত এয়ালাইন্সের ফ্লাইট নম্বর দেখে সে অনুযায়ী কনভেয়ার বেল্ট খুঁজে নেবেন।
ব্যাগ হারিয়ে গেলে বা খুঁজে না পাওয়া গেলে এয়ারপোর্টের “লস্ট এন্ড ফাউন্ড” ডেস্কে (যে ডেস্ক থেকে যাত্রীদের মালামাল হারিয়ে গেলে তা খুঁজে দেয়া হয়) গিয়ে আপনার ব্যাগ হারিয়ে গেছে মর্মে অভিযোগ দাখিল করুন।
ব্যাগ সংগ্রহের পর কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ও সিকিউরিটি চেকিং করুন।
সবশেষে বিমান বন্দরের বাহিরে অপেক্ষারত গৃহমালিককে খুঁজে নিন। এক্ষেত্রে আপনাকে চিনে নেবার জন্য আপনার নাম ধরে ডাকা হতে পারে অথবা আপনার নাম লেখা প্লেকার্ড দেখাতে পারে।

এ ধাপগুলোর সম্পর্কে আরও জানতে বিস্তারিত জানুন বাটনে ক্লিক করুন।
বিদেশের বিমান বন্দরের ধাপগুলো সম্পর্কে ছবি দেখে বুঝে নিন : এ লিংকে ক্লিক করলে বিদেশে বিমান বন্দর পার হবার ধাপগুলো ছবির সাহায্যে দেখতে পাবেন। বিদেশের বিমান বন্দরে নেমে সকল আনুষ্ঠানিকতাগুলো কীভাবে পর্যায়ক্রমিক ধাপ অনুসারে সম্পন্ন করতে হয় তা ভালভাবে বোঝার জন্য এখানে একটি ছকের মাধ্যমে কতগুলো ছবি দিয়ে দেখানো হয়েছে। আপনি বিদেশ গমনের আগে এ ছকটি প্রিন্ট করে নিতে পারেন।

বিদেশের নিয়ম-কানুন কেমন জেনে নিন

বিদেশে অর্থাৎ যে দেশে আপনি কাজের জন্য গিয়েছেন, সে দেশে নিজেকে মানিয়ে নিতে যে বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে হবে সেগুলো হল :
সে দেশের সাধারণ আই-কানুন;
সে দেশের সামাজিক আচার-আচরণ;
সে দেশের রাস্তা চলাচলের নিয়ম;

সে দেশের আবহাওয়া;
সে দেশের খাদ্যাভ্যাস;
সে দেশের বিপদে পড়লে সাহায্য চাইবার জন্য জরুরি ফোন নম্বর;
সে দেশে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করার উপায়;
বাংলাদেশি দূতাবাসের মাধ্যমে আপনার প্রাপ্য সকল সুবিধা ও অধিকার;
যে শহরে আছেন সে শহরের যাতায়াত ব্যবস্থা;
আপনার বসবাসের স্থান ও কাজের স্থান সম্পর্কে তথ্য;
নিকটবর্তি গ্রসারি বা মুদির দোকান, বাজার, পোস্ট অফিস, টেলিফোন বুথ ইত্যাদির অবস্থান;
সে দেশে অবস্থানরত আপনার চেনা-জানা স্বদেশি বন্ধু-আত্মীয়ের ঠিকানা ও ফোন নম্বর।

এ বিষয়গুলোতে দেশভিত্তিক ভিন্নতা রয়েছে।

বিদেশ গমনের পর কাজে যোগ দেয়ার আগে করণীয়গুলো নিম্নে সংক্ষেপে উল্লেখ করা হল:

আপনি যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করবেন সেখানে আপনার নিয়োগকর্তার সাথে ভালভাবে পরিচিত হয়ে নিন।
বিদেশের শ্রম অফিস বা অভিবাসন ডিপার্টমেন্ট থেকে ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করে নিন। তবে গৃহকর্মী ও সেবাকর্মী পেশায় কাজ করতে গেলে আপনার গৃহমালিক নিজেই আপনার ওয়ার্ক পারমিটের ব্যবস্থা করে দেবে।
কাজে যোগদানের আগে যদি নিয়োগকর্তা বা গৃহমালিকের কাছে ওয়ার্ক পারমিট সিল সম্বলিত পাসপোর্ট দিয়ে দিতে হয় তাহলে অবশ্যই তার ফটোকপি নিজের কাছে রয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হয়ে নেবেন।

বিদেশ গমনের পর কাজে যোগ দেয়ার পরে করণীয়গুলো নিম্নে সংক্ষেপে উল্লেখ করা হল:

কাজে যোগদানের পর আপনি যে জায়গায় কাজ করছেন সেখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নিন।
কর্মস্থলে আপনার পদমর্যাদা ও নামঠিকানা, কর্মস্থলের নামঠিকানা, নিয়োগকারীর স্বাক্ষরসহ একটি পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে নিন।
সকল সুবিধা ও শর্তাদি আপনার চুক্তিপত্র অনুযায়ী সঠিক আছে কিনা তা যাচাই করে নিন।
দূতাবাস এবং শ্রম উইং-এর সাথে যোগাযোগ ও সেখান থেকে প্রাপ্ত সুবিধা ও অধিকার জেনে নিন

বিদেশে কাজ করার ক্ষেত্রে কর্মজীবি হিসেবে কাজের দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস ও সেখানকার শ্রম উইং থেকে আপনার প্রাপ্ত সুবিধা ও অধিকারগুলো জেনে নেয়া জরুরি নিম্নে এগুলো সংক্ষেপে উল্লেখ করা হল :

নারীকর্মী হিসেবে আপনি যে দেশের যে শহরে কাজ করতে গেছেন সেখানে আপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সেখানে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাস অফিসে ফোন করে আপনার কর্মস্থল সম্পর্কে জানাবেন। বিএমইটি ব্রিফিং পর্বে পাওয়া ছোট তথ্যবইগুলোতে দেশ ও শহরের নাম অনুযায়ী বাংলাদেশি দূতাবাসের ঠিকানা ও ফোন নম্বর দেয়া থাকে। এ বইটি সবসময় আপনা কাছে রাখবেন।

 

এছাড়া জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ বা বিএমইটি অফিসের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগকারী বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাস ও শ্রম উইং-এর যোগাযোগের ঠিকানা ও ফোন নম্বর পাওয়া যাবে। লিংকটি হল :http:/www.bmet.org.bd/BMET/labourWingsAction
এছাড়া আপনি যে এলাকায় কাজ করছেন সেখানে কাছাকাছি আপনার কোন পরিচিত বন্ধু বা আত্মীয় থাকলে তাদের সাথে সবসময় ফোনে যোগাযোগ করবেন।

 

আইনি সহযোগিতা কোথায় পাবেন জেনে নিন

বিদেশে কর্মী হিসেবে প্রয়োজনে আইনি সহযোগিতা পেতে হলে আপনাকে সেখানে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাস ও শ্রমউইং-এর সাথে যোগাযোগ করতে হবে। সেখানে কর্মীদের আইনি সহযোগিতা দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে;
কর্মী হিসেবে বেতন না পাওয়া, চুক্তিতে লিখিত বেতনের চেয়ে কম বেতন দেয়া, শারীরিক নির্যাতনের শিকার হওয়া, অশালীন ভাষায় কথা বলা, যৌন হয়রানির শিকার হওয়াসহ মালিকের সাথে যে কোন ধরনের সমস্যা হলে সে বিষয়ে দূতাবাসে লিখিত আবেদন করতে পারবেন;
অভিযোগ দাখিলের আবেদনপত্র দূতাবাসের শ্রমউইং-এ পাওয়া যায়। দূতাবাসের নিয়োগকর্তার সাথে যোগাযোগ করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে পারবেন;
তারপরেও যদি সমস্যা সমাধান না হয় তাহলে শ্রম দপ্তর, শ্রম আদালতে যেতে, সেখানে আবেদন পেশ করে শুনানির জন্য এবং বিচার পাওয়ার জন্য দূতাবাসের থেকে আইন সহায়তাকারী এবং অনুবাদক বা দোভাষীর সহায়তা চাইতে পারেন;
এ লিংকটিতে ক্লিক করলে http://www.bmet.org.bd.BMET/labourWingsAction বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগকারী বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাস ও শ্রমউইং-এর যোগাযোগের ঠিকানা ও ফোন নম্বর পাওয়া যাবে।
অভিযোগ দাখিলের আবেদনপত্র দূতাবাসের শ্রমউইং-এ পাওয়া যায়। দূতাবাসের নিয়োগকর্তার সাথে যোগাযোগ করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে পারবেন। বিএমইটি’র ওয়েবসাইটে অন-লাইনের মাধ্যমে অভিযোগ দাখিলের ব্যবস্থা রয়েছে এ লিংকটি হল http:/www.ovijogbmet.org/

প্রবাসী কল্যাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত সুবিধাদি জেনে নিন
বিদেশে কর্মজীবি হিসেবে প্রবাসী কল্যাণ তহবিল বা ওয়েজয়ার্নার্স ফান্ড থেকে আপনার প্রাপ্য সুবিধাগুলো হলে:
 বৈধভাবে কর্মজীবি হয়ে বিদেশে কর্মরত অবস্থায় মৃত ব্যক্তির লাশ দেশে ফেরত আনার ব্যাপারে সেখানে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাস সহায়তা করে থাকে। প্রবাসী কল্যাণ তহবিল দাফন খরচ বাবদ ৩৫,০০০ (পঁয়ত্রিশ হাজার) টাকা আর্থিক সাহায্য দেয়;
বৈধভাবে কর্মজীবি হয়ে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মী সে দেশে মৃত্যুবরণ করলে এবং নিয়োগকর্তা হতে কোন ক্ষতিপূরণ না পেলে জনশক্তি ব্যুরোর কল্যাণ তহবিল থেকে সর্বোচ্চ ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকার অনুদান মৃতের উত্তরাধিকারীদেরকে প্রদান করা হয়;
বৈধভাবে কর্মজীবি হয়ে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীর মৃত্যু হলে, নিয়োগকর্তা দ্বারা মৃতদেহ দেশে প্রেরণ করা সম্ভব না হলে কল্যাণ তহবিলের অর্থায়নে বিদেশে মৃত কর্মীদের লাশ ফেরত আনা হয়;
বৈধভাবে কর্মজীবি হয়ে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি মৃত কর্মীদের নিয়োগকর্তার নিকট থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয় ও সে ক্ষতিপূরণের টাকা মৃতের বৈধ উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়;
বিদেশে অর্থকষ্টে পড়া এবং অসুস্থ অবস্থায় ফেরত আসা কর্মীদের চিকিৎসা বাবদ প্রসামী কল্যাণ তহবিল থেকে বিশেষ বিবেচনায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়;

কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্যগত ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সতর্কতাগুলো

 

নিয়োগকর্তা বা গৃহমালিকের কাছে পাসপোর্ট হস্তান্তর করলে অবশ্যই আপনার নিজের কাছে এক সেট ফপোকপি আছে কিনা তা নিশ্চিত হয়ে নেবেন।

চাকুরিতে যোগদেবার সময় নিয়োগকর্তার বা গৃহমালিকের কাছ থেকে আপনার ওয়ার্ক পারমিট বা আকামা ও পরিচয়পত্র হাতে নেবার সময় কোনভাবেই কোন সাদা কাগজে স্বাক্ষর বা টিপসই দেবেন না। এক্ষেত্রে কোন ধরণের অনুরোধ বা চাপের গুরুত্বব দেবেন না।
বিদেশে পৌঁছে কাজ শুরু করার পরে বা আগে বিদেশস্থ নিয়োগ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বা অন্য কেউ যে কিনা নারী পাচারকারী দলের সাথে সংযুক্ত, আপনাকে বেশি বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে অন্য কোথাও চাকুরির প্রস্তাব দিতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে অর্থাৎ চাকুরি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে চিন্তাভাবনা না করে দূতাবাসের মাধ্যমে নতুন নিয়োগকর্তার সম্পর্কে খোঁজ না নিয়ে কোনভাবেই কোন নতুন সিদ্ধান্ত নিবেন না। এ চেষ্টায় অনেক সময় বৈধ শ্রমিকও বিদেশে অবৈধ হয়ে পরে। যার পরিণতিতে তারা জেল-জরিমানার কবলে পরে অনেক ক্ষেত্রে দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া পাচারকারী দলের সদস্যরা বেশি বেতন দেয় এমন চাকুরির লোভ দেখিয়ে আপনাকে নিয়ে অসামাজিক কাজে লিপ্ত করতে পারে। তাই এসব বিপদ থেকে এড়িয়ে চলার জন্য আপনার কর্মস্থলের পার্শ্ববর্তি এলাকায় অপরিচিত লোকের সাথে সহজে মেলা-মেশা করবেন না।
সংযুক্তি আরব আমিরাত ও সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোতে চরম ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করে তাই এসব দেশে কাজ করতে গেলে সুস্থ থাকার জন্য আপনি প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে ও সুষম খাবার খাবেন। এবং যে সময়টুকু কাজ করবেন না সে সময়টুকু বিশ্রাম নেবে।

মনে রাখবেন সুস্থ থাকতে হলে আপনাকে ব্যক্তিগতভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। আপনি যে রুমে থাকবেন সে রুমটি বাথরুমসহ সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রাখবেন।
গৃহকর্মী বা কেয়ারগিভার পেশায় গেলে আহার ও বাসস্থানেরমত আপনার চিকিৎসা সেবাও বিনা খরচে হয়ে থাকে তাই কোন কারণে অসুস্থ বোধ করলে দ্রুত গৃহমালিককে জানাবেন। এবং এ ব্যাপারে সবসময় সতর্ক থাকবেন।
বিদেশে কাজ করতে গিয়ে আপনাকে কিছু মারাত্মক রোগ যেমন: এইডস, হেপাটাইটিস, যৌন সংক্রমিত রোগ ইত্যাদি সম্পর্কে সচেতন থাকবেন।
গৃহের ভিতরে আপনি অনেক ধরনের নির্যাতন-নিপীড়নের, মৌখিকভাবে অশালীন মন্তব্যের শিকার বা যৌন হয়রানির শিকার হতে পারেন। এক্ষেত্রে ভয় না পেয়ে দ্রুত দূতাবাসের শ্রমউইং-এ অভিযোগ করবেন।
গৃহকর্মী বা কেয়ারগিভার পেশায় বা গার্মেন্টস কর্মী বা ক্যাশিয়ারের কাজ করতে গেলে সময়মত বেতন হাতে না পাওয়া বা দীর্ঘদিন বেতন না পাওয়া এধরনের সমস্যায় পড়তে পারেন সে ক্ষেত্রে কোন ধরনের ভয় বা কুণ্ঠাবোধ না করে অবশ্যই দ্রুত দূতাবাসের শ্রম উইং-এ অভিযোগ করবেন।
মনে রাখবেন একজন নারীকর্মী হিসেবে কাজ করলেও আপনার অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা কোনদিক থেকেই একজন পুরুষকর্মী থেকে কম নয় এবং আইনগতভাবে আপনি সকল ধরনের সহায়তা দূতাবাস ও তাদের শ্রম উইং থেকে পাবেন।
তাই নারীকর্মী হিসেবে নিজের মনোবল শক্ত রাখবেন ও আত্মবিশ্বাস বজায় রাখতে ভুলবেন না।
আপনি দুর্বল এটা কাউকে বুঝতে দেবেন না যাতে কেউ যেন আপনার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে আপনার কোন ক্ষতি করতে না পারে।

গৃহকর্মী পেশায় কাজের ক্ষেত্রে আপনার আচরণ কেমন হবে জেনে নিন

কর্মস্থলে আপনার পেশাগত আচরণ কেমন হবে তা বিভিন্ন পেশা অনুসারে নিম্নে বর্ণনা করা হল:
গৃহমালিকের আদেশ-নির্দেশ সঠিকভাবে বুঝে নিন;
কোন সমস্যায় পড়লে সেটা গোপন না করে সরাসরি গৃহমালিককে বুঝিয়ে বলুন;
ধৈর্য ধারণ করে, ভদ্র হয়ে বিনয়ের কথা বলুন;
মিথ্যার আশ্রয় না নিয়ে দ্রুত বিশ্বস্ততা অর্জন করুন;
কারও সাথে চিৎকার করে কথা বলা থেকে বিরত থাকুন;
কারও প্রতি আঙ্গুল নির্দেশ করা থেকে বিরত থাকুন;
সবার সাথে স্যার-ম্যাডাম বলে সম্বোধন করুন;
সবসময় হাসি-খুশি থাকুন;
কারও ঘরে প্রবেশ করার আগে অনুমতি নিন;
টেলিফোন ও মোবাইলে স্যার বা ম্যাডাম সম্বোধন করে সংক্ষেপে কথা বলুন;
শিশুদের সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করুন;
পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে সুসম্পর্ক ও পারস্পারিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলুন;
হাই তোলার সময় মুখে হাত দিন।

বিশেষ করে লক্ষ্য রাখতে হবে
ব্যক্তিগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা খুবই জরুরি;
বাড়ীর জন্য মনখারাপ হলে কান্নাকাটি করা যাবে না;
প্রয়োজনে বাথরুমে গিয়ে কেঁদে হালকা হতে হবে;
রান্নার সময় চুল বেঁধে রাখতে হবে ও এপ্রোন পড়তে হবে;
পান খাওয়া যাবে না;
মাথায় তেল দেয়া এবং ঠোটে লিপস্টিক দেয়া যাবে না;
কাজ শেষে প্রত্যেকটি যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করে রাখতে হবে;
কোন কিছু চুরি করা যাবে না;
কাপড় ধোয়ার সময় সাদা ও রঙিন কাপড় আলাদাভাবে ধুতে হবে;
কাজসমূহের প্রাধান্য নির্ধারণ করে প্রত্যেক দিনের কাজের তালিকা সম্পন্ন করার সময়সহ তৈরি করুন। সময়মত কাজগুলো শেষ করার চেষ্টা করুন;
একজন সেবাকর্মী হিসেবে আপনার রোগী বা সেবাগ্রহীতার যেকোন জরুরি অবস্থার নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য নিজের আত্মবিশ্বাস ও মনোবলসহ প্রস্তুত থাকুন;
ফার্ষ্ট এইড সেবা পদ্ধতি সবসময় মনে রাখুন ও দায়িত্ব পালনকালে হাতের কাছে সবসময় ফার্ষ্ট এইড বই ও কিট রাখবেন;
সবসময় সেবাগ্রহীতার পছন্দ-অপছন্দের প্রাধান্য দিন;
ধৈর্য ধরে খুব শান্তভাবে সবসময় সেবাগ্রহতিার নির্দেশ শুনুন;

 

Visa Success on Poland Work Permit

, ,

Check-out our recent Poland Work Permit Visa

poland-work-permit-visa-schengen-visa-apply-contract-sure-visa-apply-from-dhaka-bangladesh-flyyeer-travel-agency-1poland-work-permit-visa-schengen-visa-apply-contract-sure-visa-apply-from-dhaka-bangladesh-flyyeer-travel-agency-2poland-work-permit-visa-schengen-visa-apply-contract-sure-visa-apply-from-dhaka-bangladesh-flyyeer-travel-agency-3poland-work-permit-visa-schengen-visa-apply-contract-sure-visa-apply-from-dhaka-bangladesh-flyyeer-travel-agency-4poland-work-permit-visa-schengen-visa-apply-contract-sure-visa-apply-from-dhaka-bangladesh-flyyeer-travel-agency-5poland-work-permit-visa-schengen-visa-apply-contract-sure-visa-apply-from-dhaka-bangladesh-flyyeer-travel-agency-6poland-work-permit-visa-schengen-visa-apply-contract-sure-visa-apply-from-dhaka-bangladesh-flyyeer-travel-agency-7

Country: Poland

Type: Work Permit

Nationality: Bangladeshi

Application Details: www.flyyeer.com

Poland Work Permit Visa (Hot Offer)